📌 কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল গফুর নিউগিনি প্রোপার্টিজের ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেছেন। তিনি মিজানুর রহমানের গ্রেফতার বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে সাজানো বলে অভিযোগ করেছেন
কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল গফুর নিউগিনি প্রোপার্টিজের ঘটনায় প্রকাশিত গণমাধ্যমের প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলেছেন, মিজানুর রহমানের গ্রেফতার বিষয়টি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক এবং তার সাথে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি মো. আব্দুল গফুর নিউগিনি প্রোপার্টিজের ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদকে "ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত" বলে দাবি করেছেন
- 📌 মিজানুর রহমানের গ্রেফতার বিষয়টি "সরাসরি তার নিজস্ব বাসভবন থেকে" করা হয়নি — তিনি সরকারি বরাদ্দপ্রাপ্ত ‘ন্যাম ভবন’-এ অবস্থান করেন
- 📌 মিজানুর রহমানের সঙ্গে নিউগিনি প্রোপার্টিজের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল; পাওনা টাকার মামলায় সাইফুল ইসলাম পালটা মামলা করে, যা পরে খারিজ হয়
- 📌 এমপি গফুর দাবি করেছেন, সাইফুল ইসলাম পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রং দিচ্ছেন এবং জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে রাখার চেষ্টা করছেন
- 📌 সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করে; তিনি ঘটনায় মামলার ৯ নম্বর আসামি
- 📌 ঘটনায় মোট ৬ জন গ্রেফতার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সংসদ সদস্য মো. আব্দুল গফুরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত যে তথ্য মিজানুর রহমানকে তার নিজস্ব বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ সত্য নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, ঢাকার মাটিকাটা এলাকায় তার কোনো ব্যক্তিগত বাসভবন নেই এবং তিনি সরকারিভাবে বরাদ্দপ্রাপ্ত ‘ন্যাম ভবন’-এ অবস্থান করেন। গফুরের দাবি, মিজানুর রহমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয়টি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক এবং এর সঙ্গে তার কোনো রাজনৈতিক বা জামায়াতে ইসলামীর সম্পর্ক নেই।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মিজানুর রহমানের সঙ্গে ‘নিউ গিনি প্রোপার্টিজ’ প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। প্রতিষ্ঠানটির কাছে তার পাওনা টাকা বকেয়া থাকায় তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে থানায় মামলা করেন। পরে প্রতিষ্ঠানের মালিক সাইফুল ইসলাম পাওনা টাকার একটি অংশ পরিশোধ করেন। বাকি টাকা পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে সাইফুল ইসলাম পালটা মামলা করেন, যা পরে খারিজ হয়ে যায়।
গফুরের অভিযোগ, সাইফুল ইসলাম পরিকল্পিতভাবে একটি ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক বিরোধকে রাজনৈতিক রং দিয়ে জামায়াতে ইসলামী এবং তার নিজেকে জড়িয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে সাজিয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং দলটির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
"প্রকাশিত প্রতিবেদনে মিজানুর রহমানকে তার নিজস্ব বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। ঢাকার মাটিকাটা এলাকায় তার কোনো ব্যক্তিগত বাসা নেই এবং তিনি সরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া ‘ন্যাম ভবন’-এ অবস্থান করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার মাটিকাটা এলাকা, কুষ্টিয়া-২ আসন (মিরপুর-ভেড়ামারা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আব্দুল গফুর (কুষ্টিয়া-২ এমপি), মিজানুর রহমান, সাইফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন গ্রেফতার, ৯ নম্বর আসামি, ২৯ সেপ্টেম্বর (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি), ২৮ সেপ্টেম্বর (ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!