📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দৃষ্টিহীন বাবা-ছেলের লড়াই: ক্যানসার থেকে বাঁচিয়ে রাখতে চায় একমাত্র চোখের আলো

দৃষ্টিহীন বাবা-ছেলের লড়াই: ক্যানসার থেকে বাঁচিয়ে রাখতে চায় একমাত্র চোখের আলো

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বাবা মো. শাহীনুর হক তার একমাত্র ছেলে মুজাহিদ রাইয়ান নূরের ক্যানসার আক্রান্ত চোখের চিকিৎসায় লড়াই করছেন। জন্মের মাত্র দুই মাসে মুজাহিদের বাঁ চোখে ক্যানসার ধরা পড়ে, অস্ত্রোপচার করে চোখটি তুলে ফেলা হয়। বাবা-মা-ছেলে তিনজন একসাথে দৃষ্টিহীনতা থেকে মুক্তি পেতে চায়

দৃষ্টিহীন বাবা মো. শাহীনুর হক তার একমাত্র ছেলে মুজাহিদ রাইয়ান নূরের জীবনকে ক্যানসার থেকে বাঁচিয়ে রাখতে একান্ত লড়াই করছেন। মুজাহিদের বাঁ চোখে জন্মের মাত্র দুই মাসে ধরা পড়া রেটিনোব্লাস্টোমা ক্যানসার থেকে বাঁ চোখটি অস্ত্রোপচার করে তুলে ফেলা হয়। এখন বাবা-মা-ছেলে তিনজন একসাথে একমাত্র বাকি থাকা ডান চোখের আলো বাঁচিয়ে রাখার জন্য চাপে আছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মুজাহিদ রাইয়ান নূর (২ বছর ২ মাস বয়স) জন্মের মাত্র দুই মাসে বাঁ চোখে ক্যানসার ধরা পড়ে, অস্ত্রোপচার করে চোখটি তুলে ফেলা হয়।
  • 📌 বাবা মো. শাহীনুর হক দেড় বছর বয়সে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দৃষ্টিহীন হন।
  • 📌 মুজাহিদের ডান চোখে ক্যানসার ছড়ানোর আশঙ্কায় বাবা-মা নিয়মিত চিকিৎসা ও ফলোআপের জন্য ঢাকায় আসতে বাধ্য হন।
  • 📌 মুজাহিদের চিকিৎসায় বন্ধু-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তা ছাড়া বাবা-মা ধারদেনা নিতে বাধ্য হন।
  • 📌 মুজাহিদের চিকিৎসায় খরচ হয়েছে কয়েক লাখ টাকা। বাবা-মা চেয়েছেন, ছেলের অন্তত একটি চোখ যেন ভালো থাকে।

📰 বিস্তারিত

মুজাহিদের বাবা মো. শাহীনুর হক নিজেও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। দেড় বছর বয়সে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তিনি হারিয়েছেন দুই চোখের আলো। এখন তাঁর একমাত্র লড়াই হলো একমাত্র ছেলের বাকি থাকা ডান চোখের আলো বাঁচিয়ে রাখা। মুজাহিদের বাঁ চোখে জন্মের মাত্র দুই মাসে ধরা পড়া রেটিনোব্লাস্টোমা ক্যানসার থেকে গত জুলাইয়ে অস্ত্রোপচার করে চোখটি তুলে ফেলা হয়। গত ৩০ আগস্ট কৃত্রিম চোখ লাগিয়ে বাড়ি ফিরেছে মুজাহিদ।

শাহীনুর হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২০১৭ সালে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন। তিনি ২০২২ সালে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও নিয়োগ পাননি। ২৮০ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মধ্যে তিনি একজন। এই বিষয়ে রিট মামলা দায়ের করেছেন, যা এখনো বিচারাধীন। বর্তমানে তিনি বনানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মাসে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করছেন। মিরপুরের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মজীবী হোস্টেলে থাকেন তিনি। সিটভাড়া মাসে ৩০০ টাকা, খাবারের খরচ নিজের।

মুজাহিদের মা মনিকা আক্তার এবং বাবা শাহীনুর হকের কাছে বাড়িতে স্ত্রী ও একমাত্র ছেলের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত ঢাকায় আসতে হয়। থাকা, যাতায়াত ও চিকিৎসার খরচ মিলিয়ে প্রতিদিনই তাঁদের চাপ বাড়ছে। মুজাহিদের চিকিৎসায় বন্ধু, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তা ছাড়া বাবা-মা ধারদেনা নিতে বাধ্য হন।

মুজাহিদের চিকিৎসা চলছে উত্তরার বাংলাদেশ আই হাসপাতালে। অধ্যাপক শওকত আরা সাকুর তার চোখের অস্ত্রোপচার করেছেন। এ পর্যন্ত লেজার থেরাপির পাশাপাশি মুজাহিদকে ১০টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। ডান চোখের চিকিৎসা কত দিন চলবে, আর কত টাকা লাগবে, তার কোনো নির্দিষ্ট হিসাব জানেন না মুজাহিদের মা-বাবা।

"আমি নিজে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। অনেক কষ্ট করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পড়েছি। একমাত্র ছেলের চোখেরও এই অবস্থা। ছেলের চিকিৎসার পেছনে সময় দিতে হয় বলে স্থায়ী চাকরি করা কঠিন। ছেলে ও ছেলের মাকে ঢাকায় এনে রাখার সামর্থ্যও নেই। ছেলের চিকিৎসায় বন্ধু-স্বজনেরা সহায়তা করেছেন, তাঁরাই বা আর কত করবেন? সব মিলিয়ে আমরা দিশাহারা।" — মো. শাহীনুর হক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (বাংলাদেশ আই হাসপাতাল, মিরপুরের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের হোস্টেল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুজাহিদ রাইয়ান নূর (২ বছর ২ মাস), মো. শাহীনুর হক, মনিকা আক্তার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ বছর ২ মাস (মুজাহিদের বয়স), ২৮০ জন (প্রতিবন্ধী ব্যক্তি), ১০ হাজার টাকা (মাসিক বেতন), ৩০০ টাকা (সিটভাড়া), ১০টি (কেমোথেরাপি), ২৫ হাজার টাকা (একবারের ফলোআপ খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖