📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও চিকিৎসক সংকটে বিপর্যস্ত স্বাস্থ্যসেবা

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও চিকিৎসক সংকটে বিপর্যস্ত স্বাস্থ্যসেবা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরোনো ভবনের দেয়াল ও ছাদে ফাটল দেখা দেওয়ায় তা ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে চিকিৎসক ও জনবল সংকটে হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। গত আগস্ট মাসে ভবনটির অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় নতুন এক্স-রে মেশিন চালু করতে না পারায় রোগীদের ভোগান্তি বেড়েছে

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরোনো ভবনের দেয়াল ও ছাদে অসংখ্য ফাটল দেখা দেওয়ায় তা সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। একইসঙ্গে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবেও হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পুরোনো ভবনের দেয়াল ও ছাদে অসংখ্য ফাটল, কোথাও খসে পড়েছে পলেস্তারা, কংক্রিট ভেঙে বেরিয়ে আছে রড
  • 📌 স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পুরোনো ভবনটিকে সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে
  • 📌 হাসপাতালটিতে চিকিৎসক পদ রয়েছে ৪০টি, কর্মরত আছেন মাত্র ৮ জন
  • 📌 বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ রয়েছে ১০টি, কর্মরত আছেন মাত্র ৩ জন
  • 📌 প্যাথলজি বিভাগে তিনটি পদ শূন্য, পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদ রয়েছে ৫টির বিপরীতে কর্মরত ১ জন
  • 📌 গত আগস্ট মাসে ভবনটির অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় নতুন এক্স-রে মেশিন চালু করতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

📰 বিস্তারিত

পুরোনো ভবনের দেয়াল ও ছাদে অসংখ্য ফাটল দেখা দেওয়ায় তা সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। কোথাও খসে পড়েছে পলেস্তারা, কোথাও কংক্রিট ভেঙে বেরিয়ে আছে রড। দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে লাগানো হয়েছে সতর্কবার্তা—‘ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন’। অথচ এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে হাসপাতালটির জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি, এক্স-রে ও ইসিজি পরীক্ষা, যক্ষ্মা (ডটস) কেন্দ্র, স্টোর ও অফিসের কার্যক্রম।

হাসপাতালটির পুরোনো ভবনটি ১৯৭৬ সালে ৩১ শয্যা নিয়ে চালু হয়। ২০০৫ সালে তা ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। পুরোনো ভবনের একাংশ ২০০৮ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর পুরোনো ভবনের অবশিষ্ট অংশ ও নতুন ভবন মিলিয়ে চলছিল হাসপাতালের কার্যক্রম। তবে গত বছর পুরোনো ভবনটিকে সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

হাসপাতালটিতে চিকিৎসক পদ রয়েছে ৪০টি। এর মধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ ১০টি, চিকিৎসা কর্মকর্তার পদ ১৫টি, সহকারী সার্জনের পদ ৬টি, জরুরি চিকিৎসা কর্মকর্তার পদ ৪টি, অবেদনবিদ, ডেন্টাল সার্জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জনের পদ ৩টি, আরএমও পদ ১টি এবং ইউএইচএফপিও পদ ১টি। কাগজে-কলমে কর্মরত আছেন ১৪ জন। তবে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দেন মাত্র ৮ জন চিকিৎসক।

প্যাথলজি বিভাগে তিনটি পদ শূন্য। পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদ রয়েছে ৫টির বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ১ জন। গত সোমবার হাসপাতালটিতে ভর্তি রোগী ছিলেন ৫৩ জন। বহির্বিভাগে সেবা নিয়েছেন ২৬৬ জন এবং জরুরি বিভাগে সেবা নেন ৩২ জন। গত জুলাই মাসে বহির্বিভাগে মোট সেবা নিয়েছেন ৫ হাজার ১০২ জন। সে হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ১৬৫ জন চিকিৎসা নেন।

‘এ জাগা (এখানে) রুগী থাকলি রোগ সারার আগই তো মারা পড়বে। ভূমিকম্প আইসে আরেক ধাক্কা দিলি এ বিল্ডিং তো থাকপে না বাপ।’ — যুথি রানী বৈদ্য, স্থানীয় রোগীর স্বজন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কচুয়া উপজেলা, বাগেরহাট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যুথি রানী বৈদ্য, আলেয়া বেগম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শয্যা, ৪০টি চিকিৎসক পদ, ৮ জন কর্মরত চিকিৎসক, ৫৩ জন ভর্তি রোগী, ২৬৬ জন বহির্বিভাগের রোগী, ৩২ জন জরুরি বিভাগের রোগী, ৫ হাজার ১০২ জন বহির্বিভাগের মোট সেবা গ্রহীতা, ১৬৫ জন প্রতিদিন গড়ে সেবা গ্রহীতা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖