📌 বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সরকারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না পাওয়ায় নির্বাচনের সময়সূচী স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য সংস্থা নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক পরীক্ষার কারণে নির্বাচনের সময়সূচী পরিবর্তন চেয়েছে
ঢাকায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ২০২৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের জন্য সরকারের সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংস্থা নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠানের কারণে নির্বাচনের সময়সূচী পরিবর্তন চেয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসউদ জানান, সরকারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না পাওয়ায় নির্বাচনের সময়সূচী স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানুয়ারি ২০২৬ হতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তবে সরকারের সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় রয়েছে
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে পরীক্ষা চলবে বলে জানানো হয়
- 📌 শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের বাধ্যতামূলকভাবে নির্বাচনে নিয়োজিত রাখা সম্ভব নয়, যা শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে
- 📌 নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, জানুয়ারি মাসে ফাঁকা সময়ে প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 বন্যা ও শিক্ষা ব্যবস্থার জটের কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটেছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ২০২৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের জন্য সরকারের সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় রয়েছে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসউদ সারাবাংলাকে বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংস্থা ও বিভাগীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে জানানো হয় যে, পুরো নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে দেশের বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘আপনারা নির্দিষ্ট করে সময় দেন, চিঠি দেন, তারপর আমরা চিন্তা করব কীভাবে, কী করা যায়।’
ইউপি নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘নাই সেইটা তো বলছি না। আছে। তবে সরকার থেকে তথ্য না আশা পর্যন্ত স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।’ তিনি আরও জানান, ‘আমরা প্রস্তুত আছি। এ ছাড়া জুনের মাঝেই যে এতগুল নির্বাচন শেষ করা যাবে কিনা সেটাও একটি বিষয় আছে। আমরা চাইলেই তো হবে না, বাস্তবতা দেখতে হবে। তাই আমরা ঠিক কত সময় পাচ্ছি, সে হিসাব করেই নতুন পরিকল্পনা করা হবে।’
বৈঠকে উপস্থিত সবাই জানুয়ারি মাসে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনার পক্ষে অসম্মতি জানিয়েছেন। তারা বলেন, নভেম্বর-ডিসেম্বরে পরীক্ষা চলবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে ব্যস্ত থাকবেন। এছাড়াও সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা নির্বাচনের সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।
বৈঠকে উপস্থিত নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘অক্টোবর-ডিসেম্বরে পরীক্ষার কারণে নির্বাচনের জন্য সময় বা ‘স্পেস’ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। জানুয়ারিতে আমরা কিছুটা ফাঁকা সময় পাচ্ছি। তবে ফেব্রুয়ারির ৭ বা ৮ তারিখ থেকেই রোজা শুরু। ফলে জানুয়ারির সময়টুকুকে কাজে লাগিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ধাপের ভোট শেষ করার পরিকল্পনা চলছে।’
ইউপি নির্বাচন পেছানোর মূল কারণ হিসেবে ইসি ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় শিক্ষা ব্যবস্থার জট ও বন্যার প্রভাব চিহ্নিত করা হয়েছে। এ বছর বন্যার কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটেছে। শিক্ষক ও অবকাঠামোর সংকটের কারণে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনার সময়সূচী পরিবর্তন করা হয়েছে। শিক্ষকদের শিক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকার কারণে তাদের নির্বাচনে নিয়োজিত রাখা সম্ভব নয়।
"আমরা প্রস্তুত আছি। এ ছাড়া জুনের মাঝেই যে এতগুল নির্বাচন শেষ করা যাবে কিনা সেটাও একটি বিষয় আছে। আমরা চাইলেই তো হবে না, বাস্তবতা দেখতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুর রহমানেল মাসউদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু ফজল মো. সানাউল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর, ৭-৮ ফেব্রুয়ারি, ৬ জুন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!