📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাষ্ট্রপতি: বাংলাদেশকে এআই উদ্ভাবক দেশে পরিণত করতে হবে, তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান

রাষ্ট্রপতি: বাংলাদেশকে এআই উদ্ভাবক দেশে পরিণত করতে হবে, তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশকে শুধু এআই ব্যবহারকারী নয়, বরং এআই উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দেবার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তরুণদের প্রযুক্তি দক্ষতা বৃদ্ধি করে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সৈনিক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এআই বিজনেস সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি

বাংলাদেশকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শুধু ব্যবহারকারী দেশ থেকে এআই উদ্ভাবনে সক্ষম দেশে পরিণত করতে হবে — এই দাবি করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে প্রযুক্তিবান্ধব ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হলে তারা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রধান সৈনিক হয়ে উঠতে পারে। এআইকে কৌশলগতভাবে কাজে লাগিয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শিল্প আধুনিকায়ন এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এআইকে কেন্দ্রীয় ভূমিকা দিতে হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাষ্ট্রপতি বলেছেন, বাংলাদেশকে এআই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারকারী থেকে উদ্ভাবক দেশে পরিণত করতে হবে — এআইনির্ভর নয়, বরং এআই সক্ষম বাংলাদেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
  • 📌 ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণেরা সামিটে নিজস্ব উদ্ভাবিত পণ্য প্রদর্শন করেন।
  • 📌 ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে এআই প্রযুক্তি ও তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
  • 📌 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং আইসিসিবি সভাপতি মাহবুবুর রহমান সহ বিশেষ অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
  • 📌 প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, সরকার দেশে ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চায় যাতে বিদেশে কর্মরত দক্ষ তরুণ ও বিনিয়োগকর্তাদের দেশে আনা যায়।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশকে এআই প্রযুক্তির সক্রিয় অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ (রবিবার) রাজধানীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের নিষ্ক্রিয় অংশীদার না হয়ে সক্রিয় অংশীদার হওয়া আমাদের লক্ষ্য। এআইনির্ভর নয়, বরং এআই সক্ষম, উদ্ভাবনসমৃদ্ধ ও মানবকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, এআই শুধু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রযুক্তি নয়, বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি। তিনি উল্লেখ করেন, এআইকে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শিল্পের আধুনিকায়ন, রপ্তানি সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কোটি তরুণের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কৌশলগতভাবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের তরুণদের মধ্যে বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে তাদের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রধান সৈনিক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক গবেষণায় আগামী কয়েক বছরে এআই বিশ্ব অর্থনীতিতে ট্রিলিয়ন ডলারের মূল্য সংযোজন করবে। তিনি বাংলাদেশকে এই সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও তরুণ প্রজন্মের একসঙ্গে কাজ করে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস তালুকদার, আইসিসিবি সভাপতি মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাজ্যের রেডিনেস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেমসের সিইও অধ্যাপক আলমগীর হোসেন সহ বিশেষ অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

সামিটের দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ২০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণেরা নিজস্ব উদ্ভাবিত পণ্য প্রদর্শন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর তিনটি বিষয়ভিত্তিক কর্ম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম অধিবেশনে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, এআই বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি পরিবর্তনশীল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা ব্যবসা, শিল্প ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতিকে প্রভাবিত করছে।

দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশে অসংখ্য মেধাবী তরুণ বিদেশে কর্মরত এবং বিনিয়োগ করছেন। সরকার তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চায়। অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের জন্য এআই প্রযুক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।

"প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের নিষ্ক্রিয় অংশীদার নয়, বরং সক্রিয় অংশীদার হওয়াই হবে আমাদের লক্ষ্য। এআইনির্ভর নয়, বরং এআই সক্ষম, উদ্ভাবনসমৃদ্ধ ও মানবকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ উদ্ভাবন প্রদর্শন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖