📌 সাংসদীয় কমিটিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৭৩৬ কোটি টাকার অডিট আপত্তি, ফ্লাইট বিলম্ব ও টিকিট দামের উচ্চতায় প্রশ্ন উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উড়োজাহাজে ত্রুটি ও ভাড়া নির্ধারণের নীতিমালা না থাকায় কমিটি সতর্কতা জানিয়েছে
সাংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনায় ত্রুটি ও অর্থনৈতিক অপারগতায় প্রশ্ন উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটি ও ফ্লাইট বিলম্বের পাশাপাশি টিকিটের দাম ও ফ্লাইট বিলম্বের কারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭৩৬ কোটি টাকার অডিট আপত্তি: ঢাকা-গুয়াংজু-ঢাকা রুটে চার্টার্ড কার্গো ফ্লাইটে রাজস্ব আদায়ে ৭৩৬ কোটি টাকার অনিয়মের বিস্তারিত জানতে চেয়েছে সাংসদীয় কমিটি।
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ৫ ঘণ্টা বিলম্ব: জাপান সফর থেকে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উড়োজাহাজে ত্রুটি দেখা দিলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিলম্ব হয়।
- 📌 টিকিট দামের অসামঞ্জস্য: কুয়ালালামপুর-ম্যানিলা রুটের তুলনায় ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটের টিকিটের দাম অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক ভাড়া নির্ধারণে কোনো নীতিমালা না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে।
- 📌 ফ্লাইট বিলম্বের কারণ: চেক-ইন কাউন্টার ও বোর্ডিং গেটের সংকট, ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনায় সীমাবদ্ধতা এবং স্থায়ী ইউএলডি ইয়ার্ড না থাকার কারণে ফ্লাইট বিলম্ব হয়।
- 📌 ১৮টি অডিট আপত্তি: বিমান বাংলাদেশের ১৮টি অডিট আপত্তির বিপরীতে প্রমাণসহ কর্মপরিকল্পনা দেওয়ার দাবি তুলেছে কমিটি।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় সংসদে গতকাল সোমবার সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনায় ত্রুটি ও অর্থনৈতিক অপারগতায় প্রশ্ন উঠেছে। বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটি ও ফ্লাইট বিলম্বের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়। গত ২৯ অক্টোবর জাপান সফর শেষে দেশে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে ত্রুটি দেখা দিলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিলম্ব হয়। কমিটি জানতে চায়, কেন বারবার প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি ঘটে। বিমানের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ভ্রমণের জন্য সব সময় আধুনিক উড়োজাহাজ দেওয়া হয় এবং আগের এক মাসের ফ্লাইট পর্যবেক্ষণ করে ত্রুটি যাচাই করা হয়।
বৈঠকে অনলাইনে টিকিট না পাওয়া সত্ত্বেও ফ্লাইটে আসন ফাঁকা থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে পড়ে। কমিটির সদস্যরা বলেন, অনলাইনে টিকিট পাওয়া যায় না, কিন্তু উড়োজাহাজে আসন ফাঁকা দেখা যায়। এছাড়া ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটের টিকিটের দাম কুয়ালালামপুর-ম্যানিলা রুটের তুলনায় অনেক বেশি। কমিটি জানতে চায়, আন্তর্জাতিক ভাড়া নির্ধারণে কোনো নীতিমালা রয়েছে কি না। জবাবে জানানো হয়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কোনো নীতিমালা নেই এবং এয়ারলাইনস নিজেই ভাড়া নির্ধারণ করে।
বিমান বাংলাদেশের অডিট আপত্তি নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি জানতে চান, ঢাকা-গুয়াংজু-ঢাকা রুটে চার্টার্ড কার্গো ফ্লাইটে ৭৩৬ কোটি টাকার অনিয়ম কীভাবে হয়েছে। ১৮টি অডিট আপত্তির বিপরীতে প্রমাণসহ কর্মপরিকল্পনা দেওয়ার দাবি তুলেছেন তিনি। এছাড়া বিমানের ত্রুটিযুক্ত উড়োজাহাজ, অচল যন্ত্রপাতি ও অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ কেনার বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
"কুয়ালালামপুর থেকে ম্যানিলার দূরত্বের সঙ্গে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের দূরত্ব প্রায় সমান। অথচ ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটের টিকিটের দাম কুয়ালালামপুর-ম্যানিলা রুটের তুলনায় অনেক বেশি। এই তারতম্যের কারণ জানতে চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জাপান, কুয়ালালামপুর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সাংসদীয় কমিটির সদস্য
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩৬ কোটি টাকা (অডিট আপত্তি), ২৯ অক্টোবর (ফ্লাইট ত্রুটি), ১৮টি (অডিট আপত্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!