📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পদ্মা ব্যারেজের উদ্বোধন জানুয়ারি-মার্চে করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: পানি সম্পদমন্ত্রী

পদ্মা ব্যারেজের উদ্বোধন জানুয়ারি-মার্চে করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: পানি সম্পদমন্ত্রী

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, দেশীয় অর্থায়নে ৩৫ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পে ২৬ জেলার অর্থনৈতিক ও কৃষি উন্নয়নে বিপুল সুফল আসবে

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের পরিদর্শন শেষে পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে দেশের ২৪টি জেলায় অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে এবং কৃষি, মৎস্য ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২০২৭ সালের জানুয়ারি-মার্চ মাসের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ উদ্বোধন করবেন
  • 📌 প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা
  • 📌 ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩৩ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে
  • 📌 ব্যারেজে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট, ১৮টি আন্ডার স্লুইসগেট, একটি নেভিগেশন লক ও দুটি ফিস পাস থাকবে
  • 📌 প্রকল্পের আওতায় ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে
  • 📌 রাজবাড়ীসহ ২৬ জেলার মানুষ প্রকল্পের সুফল পাবেন

📰 বিস্তারিত

পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানুয়ারি মাসের ১১ তারিখ রাজবাড়ীর পাংশার হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন শেষে বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন হলে দেশের ২৪টি জেলায় অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। তিনি আরও জানান, ২০০৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের সময় প্রকল্পটির কারিগরি সমীক্ষা শুরু হয়েছিল।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সাত বছর মেয়াদি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গ্রামীণ উন্নয়ন দর্শনকে গুরুত্ব দিয়ে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনের সময় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি হারুন অর রশিদসহ প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

২০২৬ সালের ১৩ মে একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পের আওতায় শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যারেজটি হবে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ। এতে একটি রেলওয়ে সেতু নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

"পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন হলে দেশের ২৪টি জেলায় অর্থনৈতিক রূপান্তরের পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজবাড়ী, পাংশার হাবাসপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা (মোট ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖