📌 পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা এবং এটি দেশের ২৬ জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই ঘোষণা দেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ীর পাংশা হাবাসপুরে প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন শেষে তিনি এই তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানুয়ারি-মার্চ ২০২৭ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ উদ্বোধন করবেন
- 📌 প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং মেয়াদ ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩৩ সালের জুন পর্যন্ত
- 📌 ব্যারেজে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট, ১৮টি আন্ডার স্লুইসগেট, একটি নেভিগেশন লক, দুটি ফিস পাস এবং ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা
- 📌 প্রকল্পের মাধ্যমে ২৬ জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর, কৃষি, মৎস্য ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় পরিবর্তন আসবে
- 📌 ২০০৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের সময় প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা শুরু হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে দেশের ২৪টি জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। এছাড়া কৃষি, মৎস্য ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাত বছরের মেয়াদে সম্পন্ন হবে।
মন্ত্রী জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গ্রামীণ উন্নয়ন দর্শনকে গুরুত্ব দিয়ে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য কৃষিতে নতুন গতি আনা এবং দেশকে আরও স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ করা।
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি হারুন অর রশিদসহ প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
২০২৬ সালের ১৩ মে একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পের আওতায় শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যারেজটি হবে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এর ওপর নির্মিত হবে একটি রেলওয়ে সেতু।
"পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন হলে দেশের ২৪টি জেলায় অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। এছাড়া কৃষি, মৎস্য ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।"
"প্রকল্পটি সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাত বছরের মেয়াদে সম্পন্ন হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজবাড়ী, পাংশা হাবাসপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা (ব্যয়), ২৬ জেলা (সুফল পাবেন), ১১৩ মেগাওয়াট (জলবিদ্যুৎ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!