📌 পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানান, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের মাধ্যমে ২৪ জেলার মানুষ সুফল পাবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ৩৫ হাজার কোটি টাকার প্রথম পর্যায় অনুমোদিত হয়েছে এবং আগামী জানুয়ারি-মার্চে প্রকল্প উদ্বোধন হবে বলে আশা করা হচ্ছে
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের ২৪ জেলার মানুষ অর্থনৈতিক ও কৃষি সুবিধা পাবেন বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি জানান, এই মেগা প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ৩৫ হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আগামী জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চে প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৪ জেলার মানুষ** পাবে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সুফল, যার মধ্যে ১৯টি জেলা প্রকল্পের সরাসরি উপকারভোগী
- 📌 **৩৫ হাজার কোটি টাকা** অনুমোদিত প্রথম পর্যায়ের কাজে, দ্বিতীয় পর্যায়ে **১৫ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা**র প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা
- 📌 **প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান** সরেজমিনে আসবেন এবং প্রকল্প উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে
- 📌 **দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক রূপান্তর** এবং **বন্যা নিয়ন্ত্রণ** প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য
- 📌 **গড়াই অফটেক ব্যারেজ** নির্মাণের মাধ্যমে মাছের চলাচল ও নৌযান চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে
- 📌 **২০০৪ সাল থেকে** প্রকল্পের কারিগরি কাজ শুরু হয়েছিল, বর্তমান সরকারের অধীনে কাজ শেষ হয়েছে
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের পদ্মা-গড়াই মোহনা পরিদর্শন শেষে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের বলেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি ও বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে এই প্রকল্প। তিনি বলেন, নদীর প্রবাহ ও গতিপ্রকৃতি ঠিক না থাকায় অনেক সময় নদীর তীরের বাঁধ ভেঙে যায়, যা স্থানীয় জনপদকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আবার শুষ্ক মৌসুমে নদীতে পানি না থাকায় কৃষি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মন্ত্রী জানান, পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি পদ্মা নদী ও গড়াইয়ের সংযোগস্থলে একটি ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে, যেটি গড়াই অফটেক নামে পরিচিত। এই ব্যারেজে মাছের চলাচলের জন্য ফিশ পাস, নৌযান চলাচলের জন্য নেভিগেশন লক এবং পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন গেট ও আন্ডার স্লুইস থাকবে। তিনি বলেন, “আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল এই এলাকার মানুষকে প্রকল্পের সুফল দেওয়া। ইনশাআল্লাহ খুব শিগগিরই সরেজমিনে কাজ শুরু হবে এবং মানুষ সুবিধা পেতে শুরু করবেন।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “২০০৪ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। বর্তমান সরকারের অধীনে সেই কাজ শেষ হয়েছে। এই প্রকল্পের দৃশ্যমান হওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। তিনি জাতির সামনে কমিটমেন্ট দিয়েছেন এবং ইশতেহারে প্রকল্পটি নিয়ে এসেছেন। আমরা আশা করছি, আগামী জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চের মধ্যে তিনি সরেজমিনে আসবেন এবং প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।”
"আমরা নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি ও আমাদের ইশতেহারে উল্লেখ করেছিলাম, এ দেশের জনগণ আমাদের ম্যান্ডেট দেওয়ার পর ইনশাআল্লাহ আমরা দৃশ্যমান পদ্মা ব্যারেজ সবার সামনে নিয়ে আসব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া সদর উপজেলা, হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন, পদ্মা-গড়াই মোহনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ জেলা, ৩৫ হাজার কোটি টাকা, ১৫-১৭ হাজার কোটি টাকা, ২০০৪ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!