📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শরতের নৌকার হাটে শতবর্ষের ঐতিহ্য: মানিকগঞ্জের নদ-নদীতে জমজমাট বাণিজ্য

শরতের নৌকার হাটে শতবর্ষের ঐতিহ্য: মানিকগঞ্জের নদ-নদীতে জমজমাট বাণিজ্য

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের ঘিওর ও হরিরামপুরে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাটে শরতের শুরুতে নৌকার চাহিদা বেড়েছে। প্রতি বুধবার ঘিওরে এবং শনিবারে হরিরামপুরে হাটে ৬০-৭০টি নৌকা বিক্রি হয়। পানি বাড়ায় কৃষিকাজ ও যাতায়াতের জন্য ছোট নৌকার চাহিদা বেশি

মানিকগঞ্জের নদ-নদীতে শরতের শুরুতে আবারও জমজমাট হয়ে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাট। বর্ষা পেরিয়ে শরৎকালে পানির বাড়তে শুরু করায় চর ও নিম্নাঞ্চলের মানুষের কাছে নৌকার প্রয়োজন বাড়ছে। ঘিওর ও হরিরামপুরের শতবর্ষী নৌকার হাটে এখনো প্রতিদিনই নৌকার বাণিজ্য চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঘিওর উপজেলায় প্রতি বুধবার বসে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাট, যেখানে প্রতি হাটে ৬-৭ লাখ টাকার নৌকা বিক্রি হয়
  • 📌 হরিরামপুরের ঝিটকার হাটে প্রতি শনিবারে ৬০-৭০টি নৌকা বিক্রি হয়, ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্য বলে দাবি করা হয়
  • 📌 পানির বাড়তে ছোট নৌকার চাহিদা বেশি, কৃষিকাজ ও মাছ ধরা করতে মানুষ নৌকা কিনছে
  • 📌 নৌকার তৈরিতে রেইনট্রি, কড়ই, চাম্বল ও মেহগনি কাঠের ব্যবহার, খরচ বেড়েছে কাঠ ও শ্রমিকের মজুরির কারণে
  • 📌 নৌকার পাশাপাশি হাটে বইঠা বিক্রি হয়, যা নৌকার বিক্রির সাথে সম্পর্কিত

📰 বিস্তারিত

মানিকগঞ্জের নদ-নদীতে শরতের শুরুতে পানি বাড়ায় নৌকার চাহিদা বেড়েছে। ঘিওর উপজেলায় প্রতি বুধবার বসে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাট। স্থানীয়রা জানান, এ হাট প্রতি বুধবার বসে এবং প্রতি হাটে ৬-৭ লাখ টাকার নৌকা বিক্রি হয়। ছোট ডিঙি নৌকার চাহিদা সবচেয়ে বেশি, তবে কৃষিপণ্য ও পশুখাদ্য পরিবহনের জন্য বড় নৌকাও তৈরি হয়।

নৌকার কারিগর কানাই লাল সূত্রধর বলেন, পানি বাড়ায় নৌকার চাহিদা বেড়েছে। ছোট নৌকাই বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে কাঠ, লোহা ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় নৌকা তৈরির খরচও আগের তুলনায় বেশি। আশাপুর গ্রামের কৃষক জমসের আলী বলেন, তাঁর এলাকায় পানি বাড়ায় নৌকার প্রয়োজন হয়েছে। কৃষিকাজ, মাছ ধরা ও যাতায়াতের জন্য একটি নৌকা দরকার ছিল।

হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকার হাটে প্রতি শনিবার বসে নৌকার হাট। স্থানীয়রা দাবি করেন, এ হাট ব্রিটিশ আমলের। একসময় এখানে কয়েকশো নৌকা উঠত, কিন্তু এখন প্রতি হাটে আসে ৬০-৭০টি নৌকা। চর আজিমপুর গ্রামের ক্রেতা আজিজুল মিয়া বলেন, পানি বাড়লে কৃষিকাজ, মাছ ধরা ও বাজারে যাতায়াতে নৌকার প্রয়োজন হয়। তাই বর্ষা শেষ হলেও নৌকার চাহিদা কমেনি।

নৌকার পাশাপাশি হাটে বিক্রি হয় বইঠা। বইঠা বিক্রেতা অজয় সূত্রধর বলেন, নৌকার বিক্রি বাড়লে বইঠার চাহিদাও বাড়ে। ফলে শুধু নৌকা নির্মাতা নন, কাঠ ব্যবসায়ী, করাতকল শ্রমিক, বইঠা নির্মাতা, কামার, রং বিক্রেতা, পরিবহনশ্রমিক, দিনমজুরসহ বহু মানুষের জীবিকার সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই হাট।

"ঘিওরের নৌকার হাটটি শত বছরের ঐতিহ্য বহন করছে। প্রতি বুধবার জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌকা আসে এবং ক্রেতারাও আসেন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। নদী ও চরাঞ্চলের মানুষের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী এই হাট স্থানীয় অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখছে।"

ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিতা তুল ইসলামের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, এই হাটের ঐতিহ্য শতবর্ষেরও বেশি। নদী ও চরাঞ্চলের মানুষের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি এটি স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঘিওর ও হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কানাই লাল সূত্রধর, জমসের আলী, আজিজুল মিয়া, নাশিতা তুল ইসলাম, অজয় সূত্রধর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬-৭ লাখ টাকা, ৬০-৭০টি নৌকা, ১১ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖