📌 দীর্ঘদিনের আর্থিক অনিয়ম, করপোরেট সুশাসনের দুর্বলতা ও টানা লোকসানে গভীর সংকটে ন্যাশনাল টি কোম্পানি।
দীর্ঘদিনের আর্থিক অনিয়ম, করপোরেট সুশাসনের দুর্বলতা, বিপুল ঋণের বোঝা এবং টানা লোকসানে রাষ্ট্রায়ত্ত ও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল টি কোম্পানি (এনটিসি) গভীর সংকটে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ক্রয় প্রক্রিয়া, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক প্রতিবেদনে একাধিক অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে।
- 📌 ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৬৪৪ কোটি টাকা পুনঃতফসিল করা হয়েছে।
- 📌 একই সময়ে নেগেটিভ ইক্যুইটি বেড়ে ৩ হাজার ১৮০ কোটি টাকায় পৌঁছায় এবং কোম্পানি ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন করতে পারেনি।
- 📌 শেয়ারদরে বড় ধরনের পতন হয়েছে - ২০২৪ সালের ৮ এপ্রিল ৪২০ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল ১৬০ টাকায় নেমে আসে, যা প্রায় এক বছরের ব্যবধানে ৬১ দশমিক ২৩ শতাংশ কমেছে।
📰 বিস্তারিত
নিরীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পরিচালনা পর্ষদ ও নির্বাহী কমিটির অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন মালামাল ক্রয় করা হয়েছে। চা বাগানের শ্রমিকদের আবাসন সংস্কারের জন্য সিআই শিট ও টালি কেনার ক্ষেত্রেও নির্ধারিত টেন্ডার ও সরকারি ক্রয়নীতির অনুসরণ করা হয়নি।
কেন্দ্রীয় গুদামে সংরক্ষিত বিভিন্ন রাসায়নিক পণ্যের মজুতেও উল্লেখযোগ্য অসংগতি ধরা পড়ে। বর্তমানে কোম্পানির ১৬টি চা বাগানের মধ্যে ১২টি চালু রয়েছে, যার মধ্যে আটটি লোকসানে রয়েছে।
বিএসইসি ২৭৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার রাইট শেয়ারের অনুমোদন দিলেও চাঁদা সংগ্রহ সম্পন্ন হওয়ার আগেই এবং পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর ৫৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার রাইট শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
"এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।" - এ কে আজাদ চৌধুরী, সচিব, ন্যাশনাল টি কোম্পানি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্মকর্তাদের, এ কে আজাদ চৌধুরী, শ্রমিকদের, সচিব, শাকিল রিজভী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা (মোট ঋণ), ৬৪৪ কোটি টাকা (পুনঃতফসিলকৃত ঋণ), ৩ হাজার ১৮০ কোটি টাকা (নেগেটিভ ইক্যুইটি), ৫১ শতাংশ (সরকারি শেয়ারধারণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!