📌 শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন এটিসি টাওয়ার ও রাডার চালু হওয়ার পর বিদেশি বিমান থেকে ওভারফ্লাইং রাজস্ব বেড়েছে ৮-১০ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা আয় হয়েছে। বেবিচকের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন প্রযুক্তি নিরাপত্তা ও আয় উভয় ক্ষেত্রেই সুফল আনবে
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন এটিসি টাওয়ার ও রাডার ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহারকারী বিদেশি বিমান থেকে ওভারফ্লাইং রাজস্ব উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে এই খাত থেকে ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা আয় হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয় প্রায় ৮ থেকে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শাহজালাল বিমানবন্দরে নতুন রাডার ও এটিসি টাওয়ার চালু: ফ্রান্সের থ্যালাস কোম্পানির প্রযুক্তি ব্যবহার
- 📌 ৯৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত রাডার: ভবিষ্যতে ১৬-১৮ মাসে ব্যয় উঠে আসার সম্ভাবনা
- 📌 ওভারফ্লাইং রাজস্ব বেড়ে ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা: আগের বছরের তুলনায় ৮-১০ শতাংশ বৃদ্ধি
- 📌 নতুন রাডার চালুর ফলে উড়োজাহাজ শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণে সক্ষমতা বৃদ্ধি: নিরাপত্তা ও আয় উভয় ক্ষেত্রেই সুফল
- 📌 বেবিচকের এয়ার কমোডর মোহাম্মদ নূরী আলম: আগের মাসে ৬০-৬১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬৯-৭১ কোটি টাকা আয়
- 📌 ভবিষ্যতে আইকাও অনুমোদন পেলে একই রুটে ৩-৪ গুণ বেশি বিমান পরিচালনার সুযোগ
📰 বিস্তারিত
বেবিচকের কর্মকর্তারা বলেছেন, নতুন রাডার ব্যবস্থা চালুর ফলে বাংলাদেশের আকাশসীমায় চলাচলকারী উড়োজাহাজ শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে আকাশসীমা ব্যবহারের বিপরীতে নির্ধারিত ফি আদায় আরও কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে বিমান চলাচলের নিরাপত্তাও বাড়েছে। বেবিচকের এয়ার কমোডর মোহাম্মদ নূরী আলম জানান, আগের সময় প্রতি মাসে গড়ে ৬০ থেকে ৬১ কোটি টাকা আয় হতো। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৬৯ থেকে ৭১ কোটি টাকা হয়েছে। তিনি বলেন, নতুন রাডার চালুর কারণে ভবিষ্যতে এই আয় আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ফ্রান্সের থ্যালাস কোম্পানির প্রযুক্তিতে নির্মিত নতুন রাডার ব্যবস্থা স্থাপনে সরকারের ব্যয় হয়েছে ৯৪২ কোটি টাকা। বেবিচকের কর্মকর্তাদের ধারণা, বর্তমান হারে আয় বাড়তে থাকলে ১৬ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে রাডার স্থাপনে সরকারের ব্যয় উঠে আসতে পারে। এছাড়া, নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে দূরত্বের ভিত্তিতে পৃথকীকরণ (সেপারেশন) দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। ফলে নির্দিষ্ট একটি রুটে আগের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি উড়োজাহাজ একই সময়ে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। তবে এ জন্য আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইকাও) অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে বলে জানান মোহাম্মদ নূরী আলম।
"আগে শুধু ওভারফ্লাইং থেকে প্রতি মাসে গড়ে ৬০ থেকে ৬১ কোটি টাকা আয় হতো। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৬৯ থেকে ৭১ কোটি টাকা হয়েছে। নতুন রাডার চালুর কারণে ভবিষ্যতে এ আয় আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ নূরী আলম (বেবিচকের এয়ার কমোডর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা (ওভারফ্লাইং রাজস্ব), ৯৪২ কোটি টাকা (রাডার স্থাপন ব্যয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!