📌 খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে (ডিএই) চেয়ার দখলের লড়াইয়ে প্রভাবশালী চক্র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ তকমা দিয়ে পোস্টার লাগাচ্ছে। তিন কর্মকর্তার ছবি দিয়ে পোস্টার সাঁটানো হয়েছে, কিন্তু তা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। কর্মকর্তারা দাবি করছেন, রাজনৈতিক পরিচয়কে হাতিয়ার করে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে
খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) চেয়ার দখলের লড়াইয়ে প্রভাবশালী চক্র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক তকমা দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। পোস্টার লাগিয়ে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাদের অপসারণের দাবি জানানো হচ্ছে। গত সোমবার ও বুধবার ডিএইর প্রধান কার্যালয়ের দেয়ালে তিন কর্মকর্তার ছবি দিয়ে পোস্টার সাঁটানো হয়েছিল, কিন্তু তা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিএইর তিন কর্মকর্তা (সাখাওয়াত হোসেন, মুরাদুল হাসান, তালহা জুবায়ের মাশরুর) বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ তকমা দিয়ে পোস্টার লাগানো হয়েছে
- 📌 পোস্টারে ‘জাতীয়তাবাদী সচেতন কৃষিবিদ সমাজ’ ব্যানারে তাদের অপসারণের দাবি করা হয়েছে
- 📌 কর্মকর্তারা দাবি করছেন, রাজনৈতিক পরিচয়কে হাতিয়ার করে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে
- 📌 মুরাদুল হাসান ও সাখাওয়াত হোসেন উভয়েই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু এখন তাদের ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলা হচ্ছে
- 📌 ডিএইর কর্মকর্তারা বলছেন, চেয়ার দখলের লড়াইয়ে পছন্দের কর্মকর্তা না বসালে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ তকমা দেওয়া হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) চেয়ার দখলের লড়াইয়ে প্রভাবশালী চক্র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক তকমা দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। গত সোমবার ও বুধবার ডিএইর প্রধান কার্যালয়ের দেয়াল ও পিলারে তিন কর্মকর্তার ছবি দিয়ে পোস্টার সাঁটানো হয়েছিল। পোস্টারে তাদের ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে কৃষি খাতের স্বার্থে অপসারণের দাবি জানানো হয়েছিল। তবে পোস্টারগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।
ডিএইর কর্মকর্তারা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই বদলি ও পদায়নে নানা তৎপরতা শুরু হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মকর্তাদের সরিয়ে বিএনপিপন্থী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এখন আবারো নতুন করে চেয়ার দখলের লড়াই শুরু হয়েছে। কর্মকর্তারা দাবি করছেন, প্রকল্প পরিচালকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন কর্মকর্তা বসাতে অ্যাগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) এবং কৃষক দলের নেতারা চাপ সৃষ্টি করছেন। তাদের পছন্দের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর জন্য বিভিন্নভাবে তদবির করা হচ্ছে। তবে তদবিরে সফল না হয়ে এখন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পোস্টার লাগানো ও রাজনৈতিক তকমা দেওয়ার পথ নেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো কর্মকর্তা পছন্দের ব্যক্তিকে পদায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে, তদবিরে সাড়া না দিলে কিংবা অনৈতিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং দেয়ালে পোস্টার লাগিয়ে সেই প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
"কথা না শুনলে, পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ না দিলে কিংবা চাঁদা না দিলে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার শুরু হয়। এখন সবচেয়ে সহজ অস্ত্র হলো স্বৈরাচারের দোসর তকমা দেওয়া। এর উদ্দেশ্য মূলত চেয়ার খালি করা।"
মুরাদুল হাসান ও সাখাওয়াত হোসেন উভয়েই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মুরাদুল হাসান শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে ছাত্র সংসদের ভিপি এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে, সাখাওয়াত হোসেন পটুয়াখালী কৃষি কলেজে পড়াশোনা করার সময় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অথচ এখন তাদের ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে চেয়ার দখলের লড়াইয়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খামারবাড়ি, ঢাকা; ফার্মগেট মেট্রো স্টেশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাখাওয়াত হোসেন, মুরাদুল হাসান, তালহা জুবায়ের মাশরুর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (মুরাদুল হাসানের কর্মজীবন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!