📌 নির্বাচন কমিশন (ইসি) রমজান মাসের আগেই তিন ধাপে ২ হাজার ইউপির নির্বাচন করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ভাগ করে ভোটের সময়সূচী নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের সাথে আলোচনা চলছে, তবে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেই
নির্বাচন কমিশন (ইসি) পবিত্র রমজান মাসের আগেই তিন ধাপে ২ হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ভাগ করে তিন ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। প্রতি ধাপে ৭০০-৮০০ ইউপির নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্বাচন কমিশন রমজান আগেই তিন ধাপে ২ হাজার ইউপির নির্বাচন করার পরিকল্পনা করেছে।
- 📌 প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের বৃহস্পতিবার, দ্বিতীয় ধাপ চতুর্থ সপ্তাহে, তৃতীয় ধাপ ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে (রমজানের আগে)।
- 📌 প্রতি ধাপে ৭০০-৮০০ ইউপির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশে মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউপি রয়েছে।
- 📌 সরকারের সাথে আলোচনা চলছে, তবে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেই।
- 📌 ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সব ইউপি নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী বছর পবিত্র রমজান মাসের আগেই তিন ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই তিন ধাপে আনুমানিক ২ হাজার ইউপির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি ধাপে ৭০০-৮০০ ইউপির নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউপি রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ৩ জানুয়ারি প্রথম ধাপের নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল, কিন্তু পরে তা থেকে সরে গিয়ে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের বৃহস্পতিবার প্রথম ধাপের নির্বাচন করার কথা ভাবা হচ্ছে। এরপর চতুর্থ সপ্তাহে দ্বিতীয় ধাপের এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তৃতীয় ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, রমজানের আগেই তিন ধাপের নির্বাচন করার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তিনি বলেন, প্রথম ধাপের জন্য প্রাথমিকভাবে ৩ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। এখন সময়সূচি তিন-চার দিন পেছানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে মূল সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
গত সেপ্টেম্বরে প্রাক্-প্রস্তুতিমূলক সভায় সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন করার কথা বলা হয়েছিল। প্রথম ধাপের সম্ভাব্য ভোটের তারিখ ১২ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ ছাড়াই এই তারিখ ঘোষণা করার কারণে ইসি পিছু হটে। পরে ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তমন্ত্রণালয় সভায় নির্বাচনের জন্য আগে উপযুক্ত সময় বের করতে হবে বলে জানানো হয়েছিল।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে দেশের সব ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ শুরু করেছে। দেশের ৪ হাজার ৫৮০ ইউপির মধ্যে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে ৩ হাজার ৬৩টির এবং আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে আরও ১ হাজার ৪৮ ইউপির।
"রমজানের আগেই তিন ধাপের নির্বাচন করার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যায়। এসব ধাপে আনুমানিক ২ হাজার ইউপিতে নির্বাচন হবে, সংখ্যাটি ২০০-এর কমবেশি হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুর রহমানেল মাছউদ (নির্বাচন কমিশনার), মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার (ইউপি), ৭০০-৮০০ (প্রতি ধাপে ইউপি), ৪ হাজার ৫৮০ (মোট ইউপি), ৩ হাজার ৬৩ (ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ ইউপি), ১ হাজার ৪৮ (ফেব্রুয়ারিতে মেয়াদ শেষ ইউপি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!