📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেছেন, শ্রমিক আন্দোলনের নামে যারা দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। তিনি বলেছেন, পোশাকশিল্পের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং সহিংসতা চিহ্নিত ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ সকালে সচিবালয়ে পোশাকশিল্প খাতের সংকট নিরসনে গার্মেন্টস মালিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে ঘোষণা করেছেন, শ্রমিক আন্দোলনের নামে যারা দেশে অস্থিরতা ও সহিংসতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। তিনি বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যেকোনো নৈরাজ্য দমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেছেন, শ্রমিক আন্দোলনের নামে যারা দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে।
- 📌 ৩১ অক্টোবর রাতে শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধির নাম পাওয়ার পর, ১ নভেম্বর সকালে শ্রম মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে।
- 📌 শিল্প মালিক ও চিহ্নিত ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে অডিও-ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
- 📌 সকালে মালিকপক্ষের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার পর আজ বিকেলে সকল শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকার শিল্পবান্ধব, বিনিয়োগবান্ধব ও শ্রমিকবান্ধব।
📰 বিস্তারিত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ সকালে সচিবালয়ে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, শ্রমিক আন্দোলনের নামে যারা শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কাজ করছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যেকোনো নৈরাজ্য কঠোর হস্তে দমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, সরকার দেশের পোশাকশিল্প খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি ও সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর রাতে শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধির নাম পাওয়ার পর, গতকাল ১ নভেম্বর সকালে শ্রম মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। খুব শিগগিরই এই বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি চূড়ান্ত করে ঘোষণা করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, বিগত কিছুদিন যাবৎ পতিত স্বৈরাচারের পৃষ্ঠপোষকদের সমর্থিত কিছু পক্ষ নিরীহ শ্রমিকদের ব্যবহার করে সড়ক-মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে ও অবরোধ সৃষ্টি করে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তিনি জানান, প্রকৃত শ্রমিক ও তাদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কখনোই নিজেদের কর্মসংস্থান বিনাশ বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি চান না। এই সহিংসতা ও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত চিহ্নিত ইন্ধনদাতা ও কিছু শিল্প মালিককে ইতিমধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং অডিও-ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ শিল্পবান্ধব, বিনিয়োগবান্ধব এবং শ্রমিকবান্ধব। তিনি বলেন, দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি শ্রমিকদের কল্যাণ ও রুটি-রুজির স্বার্থ সংরক্ষণে সরকার সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি আরও জানান, কোনো শিল্প-কারখানা যেন এক মুহূর্তের জন্যও বন্ধ না থাকে এবং কোনো শ্রমিক যেন বেকার হয়ে না পড়েন, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, শ্রমিক নেতা ও সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, বিজিএমইএ’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা।
"শ্রমিক আন্দোলনের নামে যারা শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কাজ করছে, দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ অক্টোবর, ১ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!