📌 ৬১ বছর বয়সে শাহরুখ খানের পর্দায় ও বাস্তবজীবনে যে স্টাইলগুলো তরুণ প্রজন্মের ফ্যাশনকে প্রভাবিত করেছে, তার মধ্যে চামড়ার জ্যাকেট থেকে শুরু করে ট্রেঞ্চ কোট, সোয়েটশার্ট, লিনেন পোশাক পর্যন্ত রয়েছে। এই স্টাইলগুলো দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের ফ্যাশন ভাষায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে
৬১ বছর বয়সে শাহরুখ খানের পর্দা ও বাস্তবজীবনে যে স্টাইলগুলো তরুণ প্রজন্মের ফ্যাশনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে, তার মধ্যে রয়েছে ‘ডিডিএলজে’ থেকে শুরু করে ‘পাঠান’ পর্যন্ত সিনেমার চরিত্রগুলোর পোশাক। এই স্টাইলগুলো দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের ফ্যাশন ভাষায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শাহরুখ খানের ব্যক্তিত্বের আকর্ষণ ও হাসির প্রশংসার পাশাপাশি তাঁর ফ্যাশনও কালজয়ী হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘ডিডিএলজে’ সিনেমায় চামড়ার জ্যাকেট, ডেনিম ও বেসবল ক্যাপের সংমিশ্রণ দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের ফ্যাশনে নতুন ধারা শুরু করে
- 📌 ‘ডন’ সিনেমায় ট্রেঞ্চ কোট ও চামড়ার গ্লাভসের মাধ্যমে শাহরুখ কালো স্যুটকে আইকনিক স্টাইল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন
- 📌 ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ সিনেমায় সোয়েটশার্টের ফ্যাশন বিপ্লব ঘটায়, যা পরবর্তীতে নব্বই দশকের ফ্যাশন আইকনে পরিণত হয়
- 📌 ‘পাঠান’ সিনেমায় ৫৭ বছর বয়সে বয়সভিত্তিক ফ্যাশনের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লম্বা চুল ও কমব্যাট বুটের স্টাইল ফিরিয়ে আনে
- 📌 বাস্তব জীবনে বিমানবন্দর থেকে সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপচারিতায় চামড়ার জ্যাকেটের প্রতি তাঁর অটুট ভালোবাসা স্পষ্ট
📰 বিস্তারিত
শাহরুখ খানের ফ্যাশন স্টাইল শুধু বক্স অফিসেই শাসন করেননি, বদলে দিয়েছেন একজন নায়কের ফ্যাশন ও স্টাইলের সংজ্ঞাও। ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে (ডিডিএলজে)’ সিনেমায় রাজ চরিত্রের পোশাক হিসেবে চামড়ার জ্যাকেট, ডেনিম, বেসবল ক্যাপ ও স্টাইলিশ টি-শার্ট দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের ফ্যাশনে নতুন মাত্রা যোগ করে। এই স্টাইলটি পরবর্তীতে বলিউডের নতুন প্রজন্মের নায়কদের ফ্যাশনেও অনুসরণীয় হয়ে ওঠে।
‘ডন’ সিনেমায় শাহরুখ লম্বা ট্রেঞ্চ কোট ও চামড়ার গ্লাভস পরেন, যা তাঁকে আধুনিক গ্যাংস্টার চরিত্রে রূপায়িত করে। এই পোশাকের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতা ও ব্যক্তিত্বের প্রকাশের নতুন রূপ দেখান। কালো স্যুটও তাঁর আরেকটি সিগনেচার স্টাইল হয়ে দাঁড়ায়। শাহরুখের ফ্যাশন স্টাইল শুধু সিনেমার পর্দাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বাস্তব জীবনে তিনি চামড়ার জ্যাকেট পরতে পছন্দ করতেন। বিমানবন্দরে যাতায়াত, সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপচারিতা বা সাধারণ ঘোরাঘুরিতে তিনি প্রায়ই লেদার জ্যাকেট পরতেন।
‘কুছ কুছ হোতা হ্যায় (কেকেএইচএইচ)’ সিনেমায় শাহরুখের সোয়েটশার্টের স্টাইল ভারতে সোয়েটশার্টের ফ্যাশন বিপ্লব ঘটায়। সেই ‘GAP’ লেখা সোয়েটশার্ট, আইকনিক পেনড্যান্ট ও কাত করে পরা বেসবল ক্যাপ তখনকার কিশোরদের স্বপ্নের তালিকায় ছিল। শাহরুখের আত্মবিশ্বাস এই স্টাইলকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল। ‘কাভি আলবিদা না কহনা (কেএএনকে)’ ও ‘কাভি খুশি কাভি গাম (কেকেকেজি)’ সিনেমায় তিনি ফিটেড ব্লেজার, ট্রেঞ্চ কোট ও কালো টার্টলনেক পরেন, যা পশ্চিমা ফ্যাশনকে দক্ষিণ এশিয়ায় সহজ ও স্বাভাবিক করে তুলেছিল।
"বড় বড় দেশে এমন ছোট ছোট ঘটনা ঘটতেই থাকে, সেনোরিটা।"
‘ডিয়ার জিন্দেগি’ সিনেমায় শাহরুখ লিনেনের পোশাক পরেন, যা তাঁর ‘কুল, রুচিশীল ও কিছুটা ক্যাজুয়াল’ ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিলে যায়। ২০২৩ সালে ‘পাঠান’ সিনেমায় তিনি ৫৭ বছর বয়সে বয়সভিত্তিক ফ্যাশনের প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানান। ‘ডন’ সিনেমার সময়কার লম্বা চুলের স্টাইল ফিরিয়ে এনে তিনি কমব্যাট বুট, ছেঁড়া কার্গো প্যান্ট ও হাতাকাটা চামড়ার জ্যাকেট পরেন। এই স্টাইলগুলো দেখে মনে হয়নি তিনি বয়সের তুলনায় কুল থাকার চেষ্টা করছেন, বরং তিনি যে স্বাভাবিকভাবেই স্টাইলিশ, সেটাই প্রমাণ করেছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ এশিয়া, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহরুখ খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬১ বছর, ৫৭ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!