📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা পাননি নতুন পে-স্কেলের বেতন, ১৬ স্টেশনে বিতরণ হলেও চট্টগ্রামে বিলম্ব

শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা পাননি নতুন পে-স্কেলের বেতন, ১৬ স্টেশনে বিতরণ হলেও চট্টগ্রামে বিলম্ব

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বেতন পাননি, যখন ১৬টি স্টেশনে বেতন বিতরণ করা হয়েছে। কর্মচারীরা প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলা ও নথিপত্রের বিলম্বের দায় দিয়েছেন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বেতন পাননি, যখন দেশের ১৬টি স্টেশনে বেতন বিতরণ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে শাহ আমানত বিমানবন্দর একমাত্র যেখানে বেতন বিতরণ হয়নি। কর্মচারীরা প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলা ও নথিপত্রের বিলম্বের দায় দিয়েছেন এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৬টি স্টেশনে নতুন পে-স্কেলের বেতন বিতরণ হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরে বেতন পাননি কর্মচারীরা।
  • 📌 ১ নভেম্বর থেকে বেতন বিতরণের নির্দেশনা থাকলেও ২ নভেম্বর পর্যন্ত বেতন পাননি কর্মচারীরা।
  • 📌 ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মচারী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিক্ষোভ করেছেন।
  • 📌 কায়সার মোহাইমেন বলেছেন, ৩১৯টি নথি পাঠানো হয়েছে, এর মধ্যে ৩০০টি অনুমোদিত হয়েছে, বাকি ১৯টি দ্রুত অনুমোদিত হবে।
  • 📌 বেবিচকের ১৭টি স্টেশনের মধ্যে শাহ আমানত বিমানবন্দর একমাত্র যেখানে বেতন বিতরণ হয়নি।

📰 বিস্তারিত

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টি স্টেশনে নতুন পে-স্কেলের বেতন বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মচারীরা বেতন পাননি। কর্মচারীরা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে বেতন বিতরণে বিলম্ব হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মচারী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বিক্ষোভ করেন। কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মচারীরা বেতন পেয়েছেন, কিন্তু শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মচারীরা তা পাননি। কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

কায়সার মোহাইমেন বলেন, কর্মচারীদের ৩১৯টি ফাইল সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৯টি নথি দু-এক দিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য বিমানবন্দরে লোকবল কম থাকায় সেখানকার নথি দ্রুত অনুমোদন করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু শাহ আমানত বিমানবন্দরে লোকবল বেশি হওয়ায় সবার নথি একসঙ্গে অনুমোদন হয়নি। পরিচালক সবার নথি অনুমোদন হওয়ার পর একসঙ্গে বর্ধিত বেতন ছাড় করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

"বেবিচকের ১৭টি স্টেশনের মধ্যে শাহ আমানত বিমানবন্দর একমাত্র যেখানে বেতন বিতরণ হয়নি। কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেন, কায়সার মোহাইমেন, মো. হাকিম সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬টি স্টেশনে বেতন বিতরণ, ১৭টি স্টেশনের মধ্যে শাহ আমানত বিমানবন্দর একমাত্র বাদে, ৩১৯টি নথি পাঠানো, ৩০০টি অনুমোদিত, ১৯টি বাকি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖