📌 মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি নথিপত্র ও দাপ্তরিক যোগাযোগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ শিরোনাম ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে। আজ থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন নির্দেশনা অনুসারে, বাংলাদেশ সরকারের দাপ্তরিক নথিপত্র, সরকারি যোগাযোগ এবং সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ শিরোনাম ব্যবহার করা আর সম্ভব নয়। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকারি কর্মকাণ্ডে শিরোনামের ব্যবহারকে আরও ন্যূনতম ও সরল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে ‘মহামান্য-মাননীয়’ শিরোনাম বিলুপ্তির নির্দেশনা
- 📌 রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে আর কোনো সম্মানসূচক শিরোনাম ব্যবহার করা যাবে না
- 📌 মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে
- 📌 সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বলা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন পরিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারি নথিপত্র, সারসংক্ষেপ এবং দাপ্তরিক যোগাযোগে রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের পদবির আগে আর কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকারি কর্মকাণ্ডকে আরও সরল ও ন্যূনতম রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, এই নির্দেশনা আজ থেকেই কার্যকর হবে এবং সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে অবিলম্বে এই নিয়ম মেনে চলতে হবে।
সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ শিরোনামের ব্যবহার বন্ধের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো সরকারি নথিপত্রকে আরও সরল ও সরলীকৃত রাখা। এই পরিবর্তনটি সরকারের কর্মকাণ্ডে আরও স্বচ্ছতা ও ন্যূনতমতা আনতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
"সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে রাষ্ট্রীয় কাজ ও দাপ্তরিক নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে আর ‘মহামান্য’ কিংবা ‘মাননীয়’ লেখা যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!