📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিভিল চাকরির নিয়োগে ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব: সরকারের উদ্দেশ্য কী? বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জাহেদ উর রহমান জাহেদ উর রহমান
সিভিল চাকরির নিয়োগে ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব: সরকারের উদ্দেশ্য কী? বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে ভাইভা নম্বর বহুলাংশে বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে প্রশাসনিক সংস্কার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, এই পরিবর্তনের লক্ষ্য মেধাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা দুর্নীতি বৃদ্ধির ঝুঁকি দেখাচ্ছেন

সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বহুলাংশে বৃদ্ধি করার প্রস্তাব নিয়ে প্রশাসনিক সংস্কার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এই পদক্ষেপকে দুর্নীতির ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করলেও, সরকারের দাবি মেধাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান আজ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই প্রস্তাবের ব্যাখ্যা দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১১-২০তম গ্রেডের চাকরিতে ভাইভা নম্বর বাড়ানো**: ১১-১২তম গ্রেডে ভাইভা নম্বর ১০ থেকে বাড়ানো হয়েছে ৫০ (৪০০% বৃদ্ধি), লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কমিয়ে ৩৫% করা হয়েছে।
  • 📌 **১৩-১৬তম গ্রেডে পরিবর্তন**: ভাইভা নম্বর ১০ থেকে ৪০, লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৯০ থেকে কমিয়ে ৬০ করা হয়েছে, পাস নম্বর ৫০% থেকে ৪০% করা হয়েছে।
  • 📌 **১৭-২০তম গ্রেডে সমান নম্বর**: ভাইভা ও লিখিত পরীক্ষার নম্বর উভয় ক্ষেত্রেই ২৫ করে করা হয়েছে।
  • 📌 **বিতর্কের কারণ**: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিবর্তন দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বৃদ্ধির ঝুঁকি বহন করছে।
  • 📌 **সরকারের যুক্তি**: লিখিত পরীক্ষায় জালিয়াতির প্রবণতা বেড়েছে, মৌখিক পরীক্ষা দক্ষতা পরিমাপে কার্যকর।

📰 বিস্তারিত

সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বহুলাংশে বৃদ্ধি করার প্রস্তাব সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। এই প্রস্তাবের লক্ষ্য প্রশাসনে মেধাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা দুর্নীতির ঝুঁকি দেখাচ্ছেন। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য কোনো বৈষম্য সৃষ্টি করা নয়, বরং প্রশাসনিক কাজে আরও দক্ষ জনবল নিশ্চিত করা।’

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জালিয়াতির প্রবণতা বেড়েছে। এতে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীরা বাদ পড়ছেন। এ কারণে মৌখিক পরীক্ষার পরিধি সম্প্রসারিত করা হয়েছে। জনপ্রশাসন সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, সরকার প্রশাসনে ‘মেরিটোক্রেসি’ প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই এই পরিবর্তন বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ১১ ও ১২তম গ্রেডে ভাইভা নম্বর ৫০ করা হয়েছে (আগের তুলনায় ৪০০% বৃদ্ধি), লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কমিয়ে ৩৫% করা হয়েছে। ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে ভাইভা নম্বর ৪০ এবং লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৬০ করা হয়েছে, পাস নম্বর ৪০% করা হয়েছে। ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডে ভাইভা ও লিখিত পরীক্ষার নম্বর উভয় ক্ষেত্রেই ২৫ করে করা হয়েছে। তবে পিএসসি পরিচালিত নিয়োগ ও শৃঙ্খলা বাহিনীর ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন প্রযোজ্য হবে না।

"এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য কোনো বৈষম্য সৃষ্টি করা নয়, বরং প্রশাসনিক কাজে আরও দক্ষ জনবল নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই নীতিগত সংশোধন আনা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জাহেদ উর রহমান, কামরুজ্জামান চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ (ভাইভা নম্বর), ৩৫% (লিখিত পাস নম্বর), ৪০০% (বৃদ্ধি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖