📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটে বন্ধ আইসিইউ, রোগীরা ভোগান্তি

মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটে বন্ধ আইসিইউ, রোগীরা ভোগান্তি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে ৮৪ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও মাত্র ৪২ জন কর্মরত। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই জেলার সর্বোচ্চ হাসপাতালে আইসিইউ, সিসিইউ ও এমআরআই বন্ধ থাকায় রোগীরা চিকিৎসা সংকটে ভোগান্তি ভোগ করছেন।

মৌলভীবাজার জেলার সর্বোচ্চ হাসপাতাল মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা প্রদান কঠিন হয়ে পড়েছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালে ৮৪ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও বর্তমানে মাত্র ৪২ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন। এছাড়া আইসিইউ, সিসিইউ ও এমআরআই সেবা বন্ধ থাকায় রোগীরা চিকিৎসা সংকটে ভোগান্তি ভোগ করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে ৮৪ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও মাত্র ৪২ জন কর্মরত
  • 📌 ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৪৫০ থেকে ৫০০ রোগী ভর্তি থাকায় মেঝেতে বিছানা পেতে হচ্ছে
  • 📌 আইসিইউ, সিসিইউ ও এমআরআই সেবা বন্ধ থাকায় রোগীদের চিকিৎসা সংকট তীব্র
  • 📌 কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিসের জন্য রাসায়নিক দ্রব্যের সংকট
  • 📌 বহির্বিভাগে প্রতিদিন ১ হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসে, কিন্তু চিকিৎসক সংকটে সারিতে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়

📰 বিস্তারিত

মৌলভীবাজার জেলার ২১ লাখ মানুষের বসবাস করা এই জেলার সর্বোচ্চ হাসপাতাল মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ২৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়ার পরেও নতুন ভবনে কার্যক্রম শুরু হওয়ার এক যুগেও আইসিইউ ও সিসিইউ চালু হয়নি। টেকনোলজিস্টের অভাবে রোগনির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফি সপ্তাহের নির্দিষ্ট কয়েক দিন ছাড়া বন্ধ থাকছে। কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিসের ক্ষেত্রেও তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়ার পর ২০১২ সালে নির্মিত নতুন ভবনে কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে হাসপাতালে ৮৪ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও ৭ জন সিনিয়র কনসালট্যান্টসহ মাত্র ৪২ জন চিকিৎসকের পদ ফাঁকা রয়েছে। একই সঙ্গে টেকনোলজিস্ট ও নার্সেরও সংকট রয়েছে। ১৪ জন টেকনোলজিস্টের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ৯ জন। সব মিলিয়ে ৪০৮টি পদের বিপরীতে চিকিৎসকসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১০৩টি পদ শূন্য আছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের কথা থেকে জানা যায়, প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক চিকিৎসক থাকায় বহির্বিভাগে প্রতিদিনই রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সারিতে দাঁড়িয়েও অনেক সময় চিকিৎসকের দেখা মিলছে না। কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিসের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক দ্রব্যের সংকট রয়েছে। পর্যাপ্ত মেশিন না থাকায় প্রায় ২০০ জন ডায়ালাইসিস রোগী অপেক্ষায় থাকছেন।

"মেডিসিনের অভাব থাকায় আমার ব্লাড টেস্ট করা হয়নি। এই হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা ছাড়া আর কোনো চিকিৎসা নেই। সামান্য কিছু হলেই সিলেটে রেফার করা হয়। আমরা চিকিৎসাসেবা থেকে চরম বঞ্চিত হচ্ছি। টাকা দিয়েও ভালো চিকিৎসা পাচ্ছি না।"

— পারুল বেগম, রোগী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রণয় কান্তি দাস (হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক), পারুল বেগম, আলতা মিয়া, ইয়ামিন মিয়া, শাকের আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যা, ৮৪ জন চিকিৎসক (পদ), ৪২ জন চিকিৎসক (কর্মরত), ২১ লাখ মানুষ, ৪৫০-৫০০ রোগী (দৈনিক ভর্তি), ১ হাজার ৬০০ রোগী (দৈনিক বহির্বিভাগ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖