📌 খাদ্য ও গণপূর্ত অধিদফতর দুটি সংস্থা খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও গুদাম অবকাঠামো উন্নয়নে ১০-১৫ বছরের টেকসই পরিকল্পনা নিয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও গুদাম অবকাঠামো উন্নয়নে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধিদফতর আজ ঢাকায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) খাদ্য অধিদফতরে অনুষ্ঠিত এই মিটিংয়ে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমের উপস্থিতিতে খাদ্য ও গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধানরা স্বাক্ষর করেন। এই সমঝোতা স্মারকটি খাদ্যশস্যের মজুত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৯ অক্টোবর** ঢাকার খাদ্য অধিদফতরে খাদ্য ও গণপূর্ত অধিদফতর **সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর** করে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে
- 📌 **খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম** বলেন, **১০ থেকে ১৫ বছরের** খাদ্য চাহিদা বিবেচনা করে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজন — **উৎপাদনশীল এলাকায়** গুদাম নির্মাণে অগ্রাধিকার দিতে হবে
- 📌 গুদামের নকশায় **বায়ু চলাচল**, **খাদ্যশস্য সংরক্ষণ** ও **কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মপরিবেশ** নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়
- 📌 **খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী** বলেন, **খাদ্যনিরাপত্তা** নিশ্চিত করতে অবকাঠামো নির্মাণ ও বিতরণ ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে
- 📌 **গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মনজুর** ঘোষণা করেন, **ড্যাশবোর্ডভিত্তিক ব্যবস্থা** চালু করে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন
- 📌 **খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. জসীম উদ্দিন খান** ও **গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী** সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন
📰 বিস্তারিত
খাদ্য অধিদফতরে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, ‘জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্যশস্যের মজুত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গুদামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।’ তিনি উল্লেখ করেন, **আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, যুদ্ধ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব** বিবেচনা করে ভবিষ্যতের খাদ্যসংকট মোকাবিলায় পর্যাপ্ত মজুত গড়ে তোলা প্রয়োজন।
খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, **গুদাম নির্মাণে** **১০ থেকে ১৫ বছরের** চাহিদা বিবেচনা করে টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা দরকার। তিনি **উৎপাদনশীল এলাকায়** গুদাম নির্মাণে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। বিদ্যমান গুদাম সংস্কারের পাশাপাশি নতুন গুদাম নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে গণপূর্ত অধিদফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ‘খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুত ও সুষ্ঠু বিতরণব্যবস্থা খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল ভিত্তি।’ তিনি পরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ ও চলমান প্রকল্পগুলোর নির্ধারিত সময়ে ও গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মনজুর বলেন, ‘সরকারি স্থাপনার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। খাদ্য অধিদফতরের অবকাঠামো উন্নয়নে গণপূর্ত অধিদফতরের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’ তিনি ঘোষণা করেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা কমানোর জন্য **ড্যাশবোর্ডভিত্তিক ব্যবস্থা** চালু করা হয়েছে।
"‘জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্যশস্যের মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি গুদামগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।’ — **খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম**
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (খাদ্য অধিদফতর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, আহম্মেদ সোহেল মনজুর, মো. জসীম উদ্দিন খান, মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ অক্টোবর, ১০-১৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!