📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শেখ হাসিনা-রেহানা-নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শেখ হাসিনা-রেহানা-নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং বিএবির সাবেক সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছে। অভিযোগ অনুসারে, তাঁরা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করেছে। অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ ও আত্মসাৎ করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তিরা: শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার
  • 📌 অভিযোগ: সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ
  • 📌 মামলা দায়েরকারী: দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন
  • 📌 মামলার স্থান: দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-ঢাকা ১
  • 📌 অভিযোগের ধারা: দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা
  • 📌 সময়কাল: ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত

📰 বিস্তারিত

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বৃহস্পতিবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-ঢাকায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন। এতে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দুদক।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, তৎকালীন বিএবি সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার তাঁর প্রভাব খাটিয়ে নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচ্যসূচিতে না থাকা সত্ত্বেও ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি উত্থাপন করেন। পরে নির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠিয়ে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ সংগ্রহ করা হয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারে সিএসআর তহবিল ব্যয়ের বিষয়ে নির্দেশনা থাকলেও ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ নামে কোনো প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দেওয়ার বিধান নেই। দুদকের সরেজমিন পরিদর্শনে ট্রাস্টটির কোনো দাপ্তরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

"শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ব্যক্তিগত লাভের আশায় অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলে বিএবির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা
  • 🔢 ব্যাংকের সংখ্যা: ৪১টি
  • 🔢 অভিযোগের ধারা: দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖