📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুমিল্লার একমাত্র সন্তান নিখোঁজ হয়ে মৃত্যুর পর মায়ের আহাজারি: ‘এই দেশে কীভাবে বাঁচব?’

কুমিল্লার একমাত্র সন্তান নিখোঁজ হয়ে মৃত্যুর পর মায়ের আহাজারি: ‘এই দেশে কীভাবে বাঁচব?’

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ১৩ বছর বয়সী ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের লাশ জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ের আহাজারি ও সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সান্ত্বনা দানের ঘটনা সংবাদে আলোচিত হয়েছে

কুমিল্লার কোটবাড়ী এলাকায় একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে মায়ের আহাজারি ও শোকের গভীরতা দেশবাসীদের মনকে ভারী করেছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী একমাত্র সন্তান ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের লাশ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামের নিশ্চয়তা দিয়েছেন এই ঘটনার বিষয়ে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৩ বছর বয়সী ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের** লাশ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে
  • 📌 **মায়ের আহাজারি**: ড. নাহিদা বেগম বলেছেন, ‘এটা কোন দেশ? আমি বাঁচব কীভাবে? আমার একমাত্র ছেলে নেই’
  • 📌 **সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী** কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং পরিবারকে সান্ত্বনা দেন
  • 📌 **১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার দিকে** অপ্রতীম বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরেননি
  • 📌 **পুলিশ** মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছেন মৃত্যুর কারণ খুঁজতে

📰 বিস্তারিত

শুক্রবার বিকেলে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর শনিবার দুপুরে অপ্রতীমের লাশ উদ্ধার করা হয়। সদর দক্ষিণ থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অপ্রতীম বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। তার মৃত্যুর কারণ ও কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অপ্রতীমের পরিবার ও পুলিশের প্রচেষ্টায় তার লাশ উদ্ধার করা হলেও মায়ের শোক অপরিবর্তিত। কোটবাড়ী এলাকায় ড. নাহিদা বেগমের আহাজারি পরিবেশ ভারী করেছে। সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী অপ্রতীমের বাসায় গিয়ে মায়ের সাথে কথা বলার সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। নাহিদা বেগমের কথায়, ‘আমি কুমিল্লায় চাকরি করতে এসেছি, এটাই কি আমার অন্যায়? আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে?’

অপ্রতীমের বাবা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ তার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ চালায়। মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তারা তার গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়েছেন।

"আমি বাঁচব কীভাবে? আমার তো একটাই ছেলে। কীভাবে আমার জীবন কাটাব?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল লালমাই সানন্দা পাহাড়, কোটবাড়ী (কুমিল্লা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. নাহিদা বেগম, ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম, মনিরুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর বয়স, ১৯ সেপ্টেম্বর, ৬ নং আসন, ১৮ সেপ্টেম্বর, ৩ টা, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖