📌 জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানান, আগের সরকারের সময় বিদ্যুৎ খাতে দায়মুক্তির ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে বিদ্যুৎ খাতের সিদ্ধান্ত ও চুক্তি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তোলা যাবে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎসংকট সমাধানে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগবে।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন, আগের সরকারের সময় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকার এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে বিদ্যুৎ খাতে দায়মুক্তির সুযোগ বাতিল করেছেন। এখন থেকে বিদ্যুৎ খাতের সিদ্ধান্ত ও চুক্তি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকবে বলে তিনি জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দায়মুক্তি ব্যবস্থা বাতিল: আগের সরকারের সময় বিদ্যুৎ খাতে দায়মুক্তির ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে বিদ্যুৎ খাতের সিদ্ধান্ত ও চুক্তি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তোলা যাবে।
- 📌 বিদ্যুৎসংকটের জবাবদিহি: চিফ হুইপ বলেন, বিদ্যুৎসংকট নিয়ে সরকারকে প্রশ্ন করা যাবে না—এমন কোনো ব্যবস্থা থাকা উচিত নয়।
- 📌 নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে সময় লাগবে: একটি ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগে বলে জানান তিনি।
- 📌 অর্থ অপচয়: আগের সরকারের সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়েছিল। কোনো কোনো কেন্দ্র থেকে এক ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন না হলেও মাসে কোটি কোটি টাকা পরিশোধ করা হতো।
📰 বিস্তারিত
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, আগের সরকারের সময় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা সীমিত করে সরকারকে সরাসরি দাম বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এখন বর্তমান সরকার এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে বিদ্যুৎ খাতে দায়মুক্তির সুযোগ বাতিল করেছেন। তিনি জানান, এখন থেকে বিদ্যুৎ খাতের সিদ্ধান্ত ও চুক্তি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকবে।
বিদ্যুৎসংকট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, জ্বালানি সরবরাহ ও কেন্দ্র নির্মাণ—সবকিছুতেই সময় লাগে। তিনি বলেন, একটি ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগে। পাঁচতলা ভবন নির্মাণেও দীর্ঘ সময় প্রয়োজন, তাই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ রাতারাতি সম্ভব নয়।
চিফ হুইপ আরও বলেন, আগের সরকারের সময় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়েছিল। কোনো কোনো কেন্দ্র থেকে এক ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন না হলেও মাসে কোটি কোটি টাকা পরিশোধ করা হতো। তিনি বলেন, এই অর্থ দেশের শিল্পকারখানা ও উৎপাদন খাতে প্রণোদনা হিসেবে ব্যবহার করা যেত।
তিনি জানান, বর্তমান সরকার বিদ্যুৎসংকট সমাধানে কাজ করছে। তবে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে কিছুটা সময় প্রয়োজন। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে সরকারকে সময় দিতে হবে বলে মনি বলেন।
"বিদ্যুৎসংকট নিয়ে সরকারকে প্রশ্ন করা যাবে না—এমন কোনো ব্যবস্থা থাকা উচিত নয়। বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূরুল ইসলাম মনি (চিফ হুইপ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ মেগাওয়াট (বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষমতা), ১১ সেপ্টেম্বর (তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!