📌 পাওনা টাকার চেক নিয়ে গুম হয়ে যান ঢাকার শেখ ওয়াসিম রনি (৪৩)। তিনদিন পর লালবাগের এক বাড়ির নিচে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকারীর স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, ব্যবসায়িক লেনদেনের পাওনা টাকার জন্য রনিকে হত্যা করা হয়
পাওনা টাকার চেক নিয়ে গুম হয়ে যান ঢাকার শেখ ওয়াসিম রনি (৪৩)। তিনদিন পর লালবাগের এক বাড়ির নিচে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকারী মাসুমের স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, ব্যবসায়িক লেনদেনের পাওনা টাকার জন্য রনিকে হত্যা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেখ ওয়াসিম রনি (৪৩) পাওনা টাকার চেক নিয়ে গুম হয়ে যান, তিনদিন পর মরদেহ উদ্ধার
- 📌 লালবাগের মাসুমের বাসার নিচে মাটিচাপা অবস্থায় রনির মরদেহ উদ্ধার, মরদেহ পচে গেছে
- 📌 মাসুম স্বীকারোক্তি: রনিকে মাথায় ঘুষি মারে হত্যা, হাত-পা বেঁধে গলা টিপে শ্বাসরোধ
- 📌 রনির মেয়ে রামিসা আক্তার সোনাম ও পরিবার লালবাগ থানায় জিডি করেন, মাসুমকে আটক করা হয়
- 📌 হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ: ব্যবসায়িক পাওনা ৩ লাখ টাকা
📰 বিস্তারিত
পাওনা টাকার চেক নিয়ে গুম হয়ে যান শেখ ওয়াসিম রনি (৪৩)। রনি ঢাকার যাত্রাবাড়ী শেখদী এলাকায় বাস করতেন এবং জমি বেচাকেনার ব্যবসা করতেন। তিনি চকবাজার আসিক টাওয়ারে ইমিটেশন অলংকার ব্যবসায়ী মাসুমের সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন করতেন। মাসুমের কাছে প্রতি মাসে ৩ লাখ টাকা পেতেন রনি। ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় রনি পরিবারকে বলেছিলেন, মাসুমের কাছ থেকে পাওনা টাকার চেক আনতে যাচ্ছেন। এরপর থেকে রনির সঙ্গে আর পরিবার যোগাযোগ করতে পারছিল না।
রনির মেয়ে রামিসা আক্তার সোনাম জানান, বাবার সন্ধানে ওই রাতে লালবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সে সময় মাসুমও ছিলেন পরিবারের সঙ্গে। পরবর্তীতে রনিকে খোঁজার যত ধরনের সহযোগিতা করছিলেন, মাসুমও সঙ্গে থেকে। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রনি মাসুমের বাসার গলি পার করতে পারেননি। প্রথম সিসি ক্যামেরায় রনিকে মোটরসাইকেল চালিয়ে যেতে দেখা যায়, কিন্তু ফিরে আসতে দেখা যায়নি। এই দুটি ক্যামেরার মাঝেই মাসুমের বাসা।
পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাসুমকে আটক করে। তিনি স্বীকার করেন, রনিকে হত্যা করেছেন। লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামিল হোসেন জানান, রনির নিখোঁজের পর থানায় পরিবার একটি জিডি করেন। তদন্ত নেমে মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। তিনি স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেন। পরে মাসুমের দেওয়া তথ্যে তাঁরই বাসার নিচে ফাঁকা জায়গায় বালি খুঁড়ে রনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মাসুম জানিয়েছেন, বাসার ভেতর মাথায় ঘুষি মারার পর রনি মেঝেতে পড়ে যান। তারপর তাঁর হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। মরদেহ গুমের জন্যই বাসার নিচ তলায় মাটি চাপা দিয়ে রাখেন।
মরদেহটি অনেকটাই পচে গেছে। এই ঘটনায় মাসুমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ব্যবসায়িক পাওনা তিন লাখ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।
"আমি পাওনা টাকার চেক রনিকে দিয়ে দিয়েছি, কিন্তু তারপর কোথায় গিয়েছেন সেটি জানি না।" — মাসুম, রনির সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সন্দেহ বাড়ার পর স্বীকারোক্তি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালবাগ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ ওয়াসিম রনি (৪৩), রামিসা আক্তার সোনাম, মাসুম, মো. জামিল হোসেন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩ বছর (রনির বয়স), ৩ লাখ টাকা (পাওনা), ৮ সেপ্টেম্বর (গুমের তারিখ), ৯ নম্বর বাড়ি (মাসুমের বাসা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!