📌 বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রযুক্তিনির্ভর ই-পার্লামেন্ট চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে এবং সেপ্টেম্বর মাসের শেষে বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাংসদীয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্য রাখা হয়েছে
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রযুক্তিনির্ভর বিপ্লব শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের অধীনে সংসদে কাগজমুক্ত ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি জানান, সংসদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করার জন্য এই প্রকল্পটি অপরিহার্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নেতৃত্বে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়।
- 📌 বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় ই-পার্লামেন্ট চালু হলে সাংসদীয় নথি ব্যবস্থাপনা সহজ ও দ্রুত হবে।
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে প্রকল্পের বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন দেওয়া হবে।
- 📌 জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) সহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার সহযোগিতা নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সাক্ষাৎকালে এই প্রকল্পের কথা জানানো হয়। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ ও এ বি এম মোশাররফ হোসেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি প্রকল্পের সার্বিক কাঠামো, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করবে।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন বর্তমান সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সংসদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে কাগজের ব্যবহার হ্রাস পাবে এবং প্রচুর সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় সাশ্রয় হবে। সাংসদীয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডেপুটি স্পিকার জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) সহ বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা নেওয়া হবে।
"সংসদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম চালুর কোনো বিকল্প নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!