📌 গাজীপুরের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণাপুকুরকে লিজ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। শ্রমিকনেতারা মাছ বিক্রি করে টাকা পকেটে পড়ানোর দাবি করেছেন। জনপ্রতি ১০ হাজার টাকার টিকিটে মাছ ধরা হয়েছে, কিন্তু টাকা ব্রির তহবিলে যায়নি
গাজীপুরের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) গবেষণাপুকুরকে নিয়ম ভেঙে লিজ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শ্রমিকনেতারা দাবি করেছেন, মাছ বিক্রির টাকা নেতাদের পকেটে চলে গেছে। গত ৩১ অক্টোবর সরকারি ছুটির দিনে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকার টিকিট বিক্রি করে পুকুরে মাছ ধরা হয়েছিল। তবে এই টাকা ব্রির তহবিলে যায়নি, যা ব্রির কর্মকর্তাদের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রির গাজীপুরে অবস্থিত গবেষণাপুকুরকে প্রায় দুই লাখ টাকায় লিজ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 জনপ্রতি ১০ হাজার টাকার টিকিট বিক্রি করে মাছ ধরা হয়েছে, কিন্তু টাকা ব্রির তহবিলে যায়নি
- 📌 শ্রমিকনেতারা দাবি করেছেন, মাছ বিক্রির অর্থের ভাগ-বাঁটোয়ারা নেতাদের পকেটে চলে গেছে
- 📌 ২০০৯ সালে একই ধরনের ঘটনায় ব্রির ১০ জন শ্রমিকের চাকরি চলে গিয়েছিল
- 📌 ব্রির মহাপরিচালক জানিয়েছেন, পুকুরটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের অনুমতি নেই
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) গবেষণাকাজে ব্যবহৃত পুকুরটি নিয়ম ভেঙে লিজ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ব্রির খামারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই পুকুরটি মূলত গবেষণা ও মাছ চাষের পানি সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে শ্রমিকনেতারা দাবি করেছেন, পুকুরে চাষ করা মাছ বিক্রি করে টাকা নেতাদের পকেটে পড়েছে।
গত ৩১ অক্টোবর সরকারি ছুটির দিনে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকার টিকিট বিক্রি করে পুকুরে মাছ ধরা হয়েছিল। তবে এই টাকা ব্রির তহবিলে যায়নি, যা ব্রির কর্মকর্তাদের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ব্রির মহাপরিচালক জানিয়েছেন, পুকুরটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের অনুমতি নেই। তবে পুকুরটি প্রায় দুই লাখ টাকায় লিজ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০০৯ সালে একই ধরনের ঘটনায় ব্রির ১০ জন শ্রমিকের চাকরি চলে গিয়েছিল। সেই সময়ও পুকুর লিজ এবং মাছ বিক্রির ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছিল। বর্তমান ঘটনাও সেই ঘটনার সঙ্গে মিল রয়েছে বলে জানা গেছে।
"মাছ চাষের পর উৎপাদিত মাছ শ্রমিকদের মধ্যে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির নির্দেশনা রয়েছে। তবে পুকুরটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের অনুমতি নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রির শ্রমিকনেতা, ব্রির মহাপরিচালক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার টাকা (টিকিট মূল্য), ১০ জন শ্রমিক (২০০৯ সালে চাকরি হারানো), ৩১ অক্টোবর (মাছ ধরা দিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!