📌 জাতীয় সংসদ সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর শুরু করেছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের বাস্তবায়ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সাংসদীয় কার্যক্রমকে কাগজহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর করবে। কমিটি গঠন ও প্রেজেন্টেশন প্রস্তুতির মাধ্যমে এই প্রকল্পের পথ চিহ্নিত হয়েছে
জাতীয় সংসদকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ। প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সভায় এই উদ্যোগের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। সাংসদীয় কার্যক্রমের প্রতিটি পদ্ধতি, নথি ব্যবস্থাপনা থেকে তথ্য আদান-প্রদান পর্যন্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ সেপ্টেম্বর সংসদ কর্তৃপক্ষ ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের বাস্তবায়ন ঘোষণা করে; ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সাংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্য
- 📌 বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ডুয়াল সংস্করণে সিস্টেম চালু হবে, যা কার্যক্রমকে দ্রুত ও কার্যকর করবে
- 📌 ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে চেয়ারম্যান করে কমিটি গঠন; প্রযুক্তিগত অবকাঠামো ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা পর্যালোচনা করবে
- 📌 ৩ সেপ্টেম্বর লাইব্রেরি কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল
- 📌 চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষ নাগাদ ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 ইউএনডিপি ও দাতা সংস্থাসমূহের সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য যোগাযোগ শুরু হয়েছে
📰 বিস্তারিত
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে সংসদ কর্তৃপক্ষ ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের বাস্তবায়ন উদ্যোগ নেয়। এই সিস্টেমের মাধ্যমে সাংসদীয় কার্যক্রমের প্রতিটি পদ্ধতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ডুয়াল সংস্করণে সিস্টেম চালু হলে, এমপি ও কর্মকর্তাদের কাগজের নথি খুঁজতে হবে না। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকেই সবকিছু অ্যাক্সেসযোগ্য হবে।
স্পিকার নির্দেশে ইতিমধ্যেই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপিকে চেয়ারম্যান করে এই কমিটি প্রস্তাবিত সিস্টেমের কাঠামো, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করবে। স্পিকার আরও নির্দেশ দিয়েছেন, চলতি মাসের শেষ নাগাদ ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের জন্য। এই প্রেজেন্টেশনে সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।
প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাংসদীয় কার্যক্রমের গতি, দক্ষতা ও সমন্বয় বাড়বে এবং প্রশাসনিক ব্যয় কমবে। তবে এই ডিজিটাল রূপান্তরের পথ সহজ নয়। প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই ইউএনডিপি, দাতা দেশ ও দাতা সংস্থাসমূহের সঙ্গে যোগাযোগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা নেওয়া হবে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর লাইব্রেরি কমিটির ষষ্ঠ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত আজকের সাক্ষাতে কার্যকর হয়।
"এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইউএনডিপির কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা চেয়েছিলেন ডেপুটি স্পিকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সংসদের কার্যক্রম সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তরিত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, জাতীয় সংসদ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ সেপ্টেম্বর, ৩ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!