📌 শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের উদ্যোগে বিধবা আকলিমা বেগম পেয়েছেন নতুন ঘর। দীর্ঘদিন বৃষ্টি ও ঘর ভেঙ্গে পড়ার ভয়ে জীবন কাটানোর পর এখন তিনি স্বস্তি পেয়েছেন
শেরপুর জেলার একটি বিধবা নারীর জীবনে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগ। বৃষ্টির ভয়ে কাঁপতে থাকা আকলিমা বেগমের জন্য নির্মিত নতুন ঘরটি তাঁর দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা দূর করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের উদ্যোগে বিধবা আকলিমা বেগম পেয়েছেন নতুন ঘর
- 📌 দিনমজুর স্বামী আব্দুস সামাদের পরিবারকে নিয়ে আকলিমা বেগমের জীবন ছিল অভাব ও দুর্দশার
- 📌 ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের এই বিধবা নারী বৃষ্টি ও ঘর ভেঙ্গে পড়ার ভয়ে কাটাচ্ছিল জীবন
- 📌 নতুন ঘর পেয়ে আকলিমা বেগমের বৃষ্টির ভয় থেকে মুক্তি পেয়েছে
📰 বিস্তারিত
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের আকলিমা বেগমের জীবন ছিল কঠিন। জরাজীর্ণ ঘর এবং বৃষ্টির ভয়ে কাঁপতে থাকা তাঁর জীবনকে আরো কষ্টসাধ্য করে তুলত। আকাশে মেঘ জমলেই তাঁর মনে হতাশা বাড়ত। কখন ঘরের চাল দিয়ে পানি পড়বে, কোথায় হাঁড়ি-পাতিল বসিয়ে সেই পানি ঠেকাবেন—এসব চিন্তায় কাটত তাঁর সময়।
আকলিমা বেগমের স্বামী আব্দুস সামাদ ছিলেন দিনমজুর। পরিবারের অভাবগ্রস্ত জীবনকে আরো কষ্টসাধ্য করে তুলত তাঁর মৃত্যুর পর থেকে। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা পেরিয়ে এবার জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের উদ্যোগে নির্মিত নতুন ঘর পেয়ে তিনি স্বস্তি পেয়েছেন।
ফরিদা ইয়াসমিনের উদ্যোগে নির্মিত এই ঘরটি পেয়ে আকলিমা বেগমের জীবনে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে। এখন বৃষ্টি হলে ঘরের ভেতর পানি পড়ার ভয় থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।
"বৃষ্টি হলেই দুশ্চিন্তা বাড়ত। কখন ঘরের চাল দিয়ে পানি পড়বে, সেই ভয়ে কাটত আমার সময়। এখন সেই ভয় থেকে মুক্তি পেয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝিনাইগাতী উপজেলা, নলকুড়া ইউনিয়ন, গোমড়া গ্রাম, শেরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আকলিমা বেগম, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (নতুন ঘর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!