📌 সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা হারানোর পর একা সংসার চালিয়ে ১৪ বছর যুদ্ধ করেছেন একজন মা। তিন সন্তানের পড়াশোনা, বিয়ে, কর্মজীবন — সবকিছুই নিজের কাঁধে তুলে ধরেছেন। এখন সন্তানরা সফল জীবন যাপন করছে, তাদের মা নিজের অটুট সংগ্রামের গল্প শেয়ার করেছেন
২০১২ সালের ঈদুল ফিতরের আগের দিন সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা হারানোর পর একা পাড়ি দিয়েছেন একজন মা। তিন সন্তানের পড়াশোনা, বিয়ে, কর্মজীবন — সবকিছুই নিজের কাঁধে তুলে ধরার এই ১৪ বছরের সংগ্রামের গল্প শেয়ার করেছেন সাজ্জাদুল ইসলাম তুষার। তাঁর মা একা একাই যুদ্ধ করেছেন, সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১২ সালে বাবা মারা যাওয়ার পর মা একা সংসার চালিয়ে ১৪ বছর যুদ্ধ করেছেন
- 📌 বড় মেয়ে মাস্টার্স শেষ করে ঢাকায় বসবাস করছেন, স্বামী একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা
- 📌 ছোট মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন, স্বামী একজন সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা
- 📌 লেখক নিজে বস্ত্রপ্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে চায়নায় বহুজাতিক কোম্পানির সাউথ এশিয়ান রিজিওনাল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত
- 📌 মা প্রথমবারের মতো বিমানযাত্রা করে চায়না সফর করেছেন, সন্তানদের সফলতা দেখে আনন্দিত
📰 বিস্তারিত
২০১২ সালের ঈদের আগের দিন সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা মারা যাওয়ার পর মা একা সংসার চালানোর জন্য স্কুলে চাকরি শুরু করেন। সেই সময় মায়ের বয়স ছিল ৩৮ বা ৩৯ বছর। বাবা মারা যাওয়ার আগে তাঁর শেষ কথা ছিল, ‘স্যার, আমার সন্তানদের দেখে রাখতে বলবেন আমার স্ত্রীকে’। এই কথাটি মায়ের জীবনের মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়ায়।
তিনি তিন সন্তানের পড়াশোনা, বিয়ে এবং কর্মজীবন নিশ্চিত করেছেন। বড় মেয়ে মাস্টার্স শেষ করে ঢাকায় বসবাস করছেন, স্বামী একজন স্বনামধন্য প্রাইভেট কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ছোট মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন, তাঁর স্বামী একজন সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা। লেখক নিজে বস্ত্রপ্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে চায়নায় বহুজাতিক কোম্পানির সাউথ এশিয়ান রিজিওনাল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন।
প্রায় মাসখানেক আগে ভিসা পেয়ে মা চায়না সফর করেছেন। জীবনের প্রথম বিমানযাত্রা, নতুন দেশ, অপরিচিত ভাষা — সবকিছুই ছিল নতুন। কিন্তু সন্তানদের সফলতা দেখে তাঁর চোখে আনন্দের আলো জাগে। লেখক বলেন, “এই যে স্রষ্টা আমাকে এতটুকু করতে দিয়েছেন, এখানেই আমার জীবনের সার্থকতা।”
"আমার মা তাঁর যুদ্ধে জয়ী সফল একজন নারী। বাবা মারা যাওয়ার পরে স্কুলে চাকরি করেছেন সংসার চালানোর জন্য। তিনি নিজে এবং আমার বোনেরাও কষ্ট করেছেন আমাকে পড়াশোনা করানোর জন্য, সেটা আসলে কখনোই ভোলার নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাজ্জাদুল ইসলাম তুষার (লেখক) ও তাঁর মা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর (একা সংগ্রাম), ৩৮-৩৯ বছর (মায়ের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!