📌 রাজবাড়ীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে গত বছরের তুলনায় জাল জব্দ ও কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৬ সালের ২২ দিনের অভিযানে ১৬ লাখ ৫৫ হাজার মিটার জাল জব্দ ও ৪৬ জন জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা গত বছরের তুলনায় যথাক্রমে ১৩ লাখ ৬০ হাজার মিটার কম এবং ১২৫ জন কম। এ সময় ২৭৮ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ ও ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়
রাজবাড়ী জেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে গত বছরের তুলনায় জাল জব্দ ও কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল হক জানান, গত বছরের ২২ দিনের অভিযানে ৩০ লাখ ১৫ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও ১৭১ জন জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এ বছর অভিযানে জব্দ হয়েছে মাত্র ১৬ লাখ ৫৫ হাজার মিটার জাল এবং কারাদণ্ড পেয়েছেন ৪৬ জন জেলা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৬ সালের ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের অভিযানে ৯৭টি অভিযান ও ১৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়
- 📌 এ বছর জব্দ হয়েছে ২৭৮ কেজি ইলিশ মাছ, ৭৮টি মামলা দায়ের ও ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে
- 📌 গত বছরের তুলনায় জাল জব্দ কমেছে ১৩ লাখ ৬০ হাজার মিটার এবং কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলের সংখ্যা কমেছে ১২৫ জন
- 📌 স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অভিযানকে ঢিলেঢালা বলে অভিযোগ করেছেন
- 📌 জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল হক বলেছেন, অভিযানের প্রথম সপ্তাহে জেলেরা মাছ ধরতে নামেননি
📰 বিস্তারিত
২০২৬ সালের ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে রাজবাড়ী জেলায় ৯৭টি অভিযান ও ১৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় ২৭৮ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল হক জানান, এ বছর অভিযানে জাল জব্দের পরিমাণ ১৬ লাখ ৫৫ হাজার মিটার এবং কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলের সংখ্যা ৪৬ জন। গত বছরের তুলনায় জাল জব্দ কমেছে ১৩ লাখ ৬০ হাজার মিটার এবং কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলের সংখ্যা কমেছে ১২৫ জন।
অভিযানের সময় ৭৮টি মামলা দায়ের ও ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল হক বলেন, অভিযানের প্রথম সপ্তাহে নদীর স্রোত থাকায় জেলেরা মাছ ধরতে নামেননি। ফলে জাল জব্দ ও মোবাইল কোর্টের সংখ্যা কম ছিল। অভিযানের মাঝামাঝি সময়ে জেলেদের তৎপরতা বাড়লে অভিযানও জোরদার করা হয়।
অন্যদিকে, স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, এ বছর অভিযান তুলনামূলকভাবে ঢিলেঢালাভাবে পরিচালিত হয়েছে। তারা দাবি করেন, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীর পাড়ে অস্থায়ী হাট বসিয়ে ইলিশ বিক্রির ঘটনাও ঘটেছে।
"অভিযানের প্রথম সপ্তাহে নদীতে স্রোত থাকায় জেলেরা মাছ ধরতে নামেননি। ফলে জাল জব্দ ও মোবাইল কোর্টের সংখ্যা কম ছিল। অভিযানের মাঝামাঝি সময়ে জেলেদের তৎপরতা বাড়লে অভিযানও জোরদার করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজবাড়ী জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মাহবুব উল হক (জেলা মৎস্য কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭৮ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ, ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!