📌 ৮৩তম ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে হামলা ও দলীয় বর্জনের শিকার হন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। ইতালির মেস্ত্রে শহরে রাজনৈতিক কর্মীদের হামলায় লাঞ্ছিত হন তিনি। দেশে ফিরে বাঁধন জানান, সিনেমার টিম তাকে বর্জন করেছে এবং টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভালে যাওয়ারও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তবে সরকার ও আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে পেয়েছেন নিরাপত্তা ও সহায়তা
৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে ইতালির মেস্ত্রে শহরে হামলা ও লাঞ্ছনার শিকার হন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফিরে তিনি জানান, হামলার পর তার সিনেমার টিম তাকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করেছে এবং পরবর্তী চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হামলার ঘটনা: ৮৩তম ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে গিয়ে মেস্ত্রে শহরে রাজনৈতিক কর্মীদের হামলায় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন আজমেরী হক বাঁধন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
- 📌 দলীয় বর্জন: হামলার পর অভিনেত্রীকে তার সিনেমার টিম ‘ডিজওন’ (বর্জন) করে দেয়। ভেনিস ফেস্টিভালের বাকি দিনগুলোতে অংশ নিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এছাড়াও টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভালে যাওয়ারও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে টিম।
- 📌 সহায়তার কথা: ইতালি সরকার, ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালের ডিরেক্টর, বাংলাদেশের দূতাবাস এবং বাংলাদেশ সরকার অভিনেত্রীকে সাপোর্ট করেছে। ইতালির পুলিশ ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা প্রদান করে।
- 📌 রাষ্ট্রীয় সমর্থন: ঘটনার দিনই বাংলাদেশ সরকারের সাথে যোগাযোগ হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির হামলাকে ‘গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেন।
- 📌 দেশবাসীদের সমর্থন: অভিনেত্রী বলেন, দেশের মানুষ ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে সবাই তাকে সমর্থন করেছেন।
📰 বিস্তারিত
৮৩তম ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ইতালির মেস্ত্রে শহরে হামলা ও লাঞ্ছনার শিকার হন। রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে গিয়ে তিনি রাজনৈতিক কর্মীদের হামলায় লাঞ্ছিত হন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিনেত্রী ইতালিতে মামলা দায়ের করেন।
দেশে ফিরে বাঁধন জানান, হামলার পর তার সিনেমার টিম তাকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করেছে। তিনি বলেন, ‘আমার যে টিম, তারা আমাকে ডিজওন করেছে। ফেস্টিভ্যালের বাকি দিনগুলোতে তাদের সাথে অংশ নিতে নিষেধ করেছে। এমনকি টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভালে যাওয়ার কথাও ছিল, কিন্তু তারা আমাকে সেখানেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।’ তবে অভিনেত্রীর কো-অ্যাক্টর সুনেরাহ, জায়নিন ও জায়নিনের মা তাকে সাহায্য করেছেন।
হামলার পর রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে অভিনেত্রী পেয়েছেন নিরাপত্তা ও সহায়তা। বাংলাদেশ সরকার, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে সমর্থন জানিয়েছে। ইতালির দূতাবাসের অ্যাম্বাসেডর প্রচণ্ড সহায়তা প্রদান করেছেন। ইতালি সরকারের কালচারাল মিনিস্টার, আন্ডার সেক্রেটারি এবং পুলিশ ডিপার্টমেন্ট প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা প্রদান করেছে। ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালের ডিরেক্টর লিডোতেই অভিনেত্রীর থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
আজমেরী হক বাঁধন বলেন, ‘আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই বাংলাদেশ সরকারের কাছে। ঘটনার দিন রাতেই সরকারি দপ্তর থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। দেশের মানুষ, রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে সবাই আমাকে সমর্থন করেছেন। এত কষ্ট করে আমার জন্য অপেক্ষা করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’
"আমার যে টিম, তারা আমাকে ডিজওন করেছে। ফেস্টিভ্যালের বাকি দিনগুলোতে তাদের সাথে অংশ নিতে নিষেধ করেছে। এমনকি টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভালে যাওয়ার কথাও ছিল, কিন্তু তারা আমাকে সেখানেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভেনিস (ইতালি), মেস্ত্রে শহর, বাংলাদেশের বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজমেরী হক বাঁধন, রুবাইয়াত হোসেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, সুনেরাহ, জায়নিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৩ (ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের সংস্করণ), ১৪ সেপ্টেম্বর (দেশে ফিরে আসার তারিখ), ২৪ ঘণ্টা (নিরাপত্তা প্রদান), ৮ সেপ্টেম্বর (মামলা দায়েরের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!