📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৪১০ কোটি বছরের পুরোনো মঙ্গল গ্রহের পাথর সাহারা মরুভূমিতে আবিষ্কৃত: বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কার

৪১০ কোটি বছরের পুরোনো মঙ্গল গ্রহের পাথর সাহারা মরুভূমিতে আবিষ্কৃত: বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাহারা মরুভূমিতে পাওয়া একটি লালচে পাথর বিজ্ঞানীদের কাছে মঙ্গল গ্রহের প্রাচীন নমুনা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এই ৪১০ কোটি বছরের পুরোনো পাথরটির নাম 'তেঘাজা ০০১' এবং এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের অতীতের পানির ইতিহাস সম্পর্কে নতুন তথ্য পেয়েছেন

সাহারা মরুভূমির এক প্রাচীন লবণখনি এলাকায় চার বছর আগে পাওয়া একটি লালচে পাথর বিজ্ঞানীদের কাছে মঙ্গল গ্রহের প্রাচীনতম নমুনা হিসেবে আবিষ্কৃত হয়েছে। এই পাথরটির বয়স প্রায় ৪১০ কোটি বছর, যা পৃথিবীতে পাওয়া বেশিরভাগ পাথরের চেয়ে অনেক পুরোনো। বিজ্ঞানীরা এই উল্কাপিণ্ডের নাম দিয়েছেন 'তেঘাজা ০০১' (Teghaza 001)।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাহারা মরুভূমিতে পাওয়া ৪১০ কোটি বছরের পুরোনো পাথর 'তেঘাজা ০০১' মঙ্গল গ্রহের প্রাচীন নমুনা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে
  • 📌 এই পাথর থেকে বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের অতীতের পানির প্রবাহ ও গ্রহটি কীভাবে পানি হারিয়েছে তা সম্পর্কে নতুন তথ্য পেয়েছেন
  • 📌 পাথরটির ভেতরে থাকা অ্যাপাটাইট খনিজে পানির অণু পাওয়া গেছে, যা মঙ্গলে একসময় প্রচুর পানি ছিল সে বিষয়টি প্রমাণ করে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির গ্রহবিজ্ঞানী ইয়াং লিউ এই গবেষণার প্রধান লেখক
  • 📌 মঙ্গল গ্রহের উল্কাপিণ্ডের মধ্যে তেঘাজা ০০১-এর বয়সের কাছাকাছি মাত্র দুটি পাথর পাওয়া গেছে

📰 বিস্তারিত

চার বছর আগে সাহারা মরুভূমিতে পাওয়া এই লালচে পাথরকে প্রথমে সাধারণ পাথর মনে হয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারলেন, এটি পৃথিবীর নয়, মঙ্গল গ্রহের। এই উল্কাপিণ্ডের নামকরণ করা হয়েছে 'তেঘাজা ০০১'। নামকরণের পিছনে রয়েছে মালির একটি প্রাচীন লবণখনি জনপদ 'তেঘাজা'। বিজ্ঞানীরা এই পাথরটির বয়স প্রায় ৪১০ কোটি বছর বলে মনে করছেন, যা পৃথিবীতে পাওয়া বেশিরভাগ পাথরের চেয়ে অনেক পুরোনো।

ইয়াং লিউ, যুক্তরাষ্ট্রের নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির গ্রহবিজ্ঞানী, এই গবেষণার প্রধান লেখক। তিনি বলেছেন, এত প্রাচীন কোনো পাথর খুঁজে পাওয়া সত্যিই বিরল ঘটনা। বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত মঙ্গল গ্রহের ৪০০টিরও বেশি উল্কাপিণ্ড পেয়েছেন, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র দুটির বয়স তেঘাজা ০০১-এর কাছাকাছি। একটি হলো 'অ্যালান হিলস ৮৪০০১' এবং অন্যটি 'নর্থওয়েস্ট আফ্রিকা ৭০৩৪' (ব্ল্যাক বিউটি)।

তেঘাজা ০০১-এর গুরুত্ব কেন? কারণ এটি মঙ্গলের প্রাচীন অবস্থার একটি ছোট্ট নমুনা। প্রায় ৪১০ কোটি বছর আগে মঙ্গল গ্রহ কেমন ছিল, তার কিছু চিহ্ন এখনো এই পাথরে ধরে রেখেছে। পাথরটির ভেতরে থাকা অ্যাপাটাইট খনিজ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের ভূগর্ভ ও উপরিভাগের প্রাচীন অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, মঙ্গলে একসময় প্রচুর পানি ছিল। পাথরটির ভেতরে অ্যাপাটাইট খনিজে পানির অণু পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই পানি মঙ্গলের ম্যান্টল থেকে উঠে এসেছিল। তবে পাথরটি তৈরি হওয়ার সময়েই মঙ্গল তার অনেকখানি পানি হারিয়ে ফেলেছিল। সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মি পানির অণু ভেঙে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনে আলাদা করে দিয়েছিল। হাইড্রোজেন খুব হালকা গ্যাস, ফলে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল থেকে এর কিছু অংশ মহাকাশে উড়ে গেছে।

"এই পাথর থেকে আমরা মঙ্গলের অতীতের পানির ইতিহাস সম্পর্কে নতুন তথ্য পেয়েছি। এটি মঙ্গলের আরও আদিম অবস্থার নমুনা হতে পারে।"

বিজ্ঞানীরা অ্যাপাটাইটে পাওয়া পানির অণু বিশ্লেষণ করে আরও একটি বিষয় লক্ষ করেছেন। পাথরটির ম্যান্টল থেকে আসা পানির রাসায়নিক উপাদান অন্য মঙ্গল গ্রহের উল্কাপিণ্ডের নমুনার চেয়ে আলাদা। এছাড়াও, পাথরটির পানিতে ডিউটেরিয়াম ও সাধারণ হাইড্রোজেনের অনুপাত পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পেরেছেন, মঙ্গল যখন পানি হারাচ্ছিল, তখনকার কিছু চিহ্ন এই পাথরে রয়ে গেছে। এই অনুপাতটি অ্যালান হিলস ৮৪০০১ নামের প্রাচীন মঙ্গল গ্রহের উল্কাপিণ্ডের অনুপাতের সঙ্গে মিলে যায়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাহারা মরুভূমি, মালি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়াং লিউ (নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১০ কোটি বছর (পাথরের বয়স), ৪০০টি (মঙ্গল গ্রহের উল্কাপিণ্ড)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖