📌 শর্মিলা ঠাকুর ও মনসুর আলি খান পতৌদির মেয়ে সাবা আলি খান পতৌদি জানিয়েছেন, তাদের পরিবারে ইসলামই প্রধান ধর্ম হিসেবে চর্চিত হতো। তবে কোনো ধর্মই সন্তানদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি
শর্মিলা ঠাকুর ও মনসুর আলি খান পতৌদির মেয়ে সাবা আলি খান পতৌদি সম্প্রতি নিজেদের পরিবারের ধর্মীয় শিক্ষা ও বিশ্বাস নিয়ে মুখ খুলেছেন। ইউটিউব চ্যানেল ‘বিগ বলিউড বাফস’-এর এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাদের পরিবারে ইসলামই প্রধান ধর্ম হিসেবে চর্চিত হতো। একই সঙ্গে তিনি অন্য ধর্মের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল হওয়ার কথাও তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাবা আলি খান পতৌদি জানান, তাদের পরিবারে ইসলামই প্রধান ধর্ম হিসেবে চর্চিত হতো
- 📌 শর্মিলা ঠাকুর ইসলাম গ্রহণ করেন এবং সন্তানদের ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেন
- 📌 সাবা বলেন, তাদের পরিবারে কোনো ধর্মই চাপিয়ে দেওয়া হয়নি
- 📌 সাবার দুই ভাই সাইফ আলি খান ও সোহা আলি খান আন্তঃধর্মীয় বিয়ে করেছেন
📰 বিস্তারিত
সাবা আলি খান পতৌদি সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল ‘বিগ বলিউড বাফস’-এর এক সাক্ষাৎকারে নিজেদের পরিবারের ধর্মীয় শিক্ষা ও বিশ্বাস নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। তিনি জানান, তাদের পরিবারে ইসলামই প্রধান ধর্ম হিসেবে চর্চিত হতো। শর্মিলা ঠাকুর ও মনসুর আলি খান পতৌদির বিয়ের পর শর্মিলা ইসলাম গ্রহণ করেন এবং সন্তানদের ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেন। সাবা বলেন, ‘আম্মা ও আব্বা যখন বিয়ে করেন, আম্মা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং আমাদের ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দিয়েছিলেন।’
তিনি আরও জানান, তাদের পরিবারে কোনো ধর্মই চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। সাবা বলেন, ‘আমাদের কোনো মন্দিরে যাওয়া হতো না, আমরা হিন্দু ধর্ম পালন করিনি। আম্মাই আমাকে আমার ধর্ম, ইসলাম, রমজান ও এসব বিষয়ে শিখিয়েছেন।’ তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকের নিজের বিশ্বাস বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত।
সাবা আলি খান পতৌদি জানান, তাদের পরিবারে বড়দিন, দীপাবলি, হোলিসহ বিভিন্ন ধর্মের উৎসব উদযাপন করা হতো। তিনি বলেন, ‘বাবা-মা সন্তানদের ওপর নির্দিষ্ট কোনো ধর্ম চাপিয়ে দেননি- এটিকেই তিনি সঠিক পারিবারিক শিক্ষার অংশ বলে মনে করেন।’
‘আম্মাই আমাদের ইসলাম শিখিয়েছেন, হিন্দু ধর্মের চর্চা হতো না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবা আলি খান পতৌদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সময়: বিকাল ৫টা ৪২ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!