📌 অভিনেত্রী রুনা খান হাওরের বর্ষার রূপে মুগ্ধ। জানালা খুললেই থই থই পানি দেখে অভিভূত হন তিনি। হাওরের মানুষের জীবনযুদ্ধ ও প্রকৃতির বৈচিত্র্য তুলে ধরেছেন তাঁর কথায়
অভিনেত্রী রুনা খান হাওরের বর্ষার রূপে মুগ্ধ হয়ে উঠেছেন। সাময়িক বাসা বেঁধে শুটিংয়ের সময় তিনি দেখেছেন চারদিকে থই থই পানি। তাঁর কথায়, ‘আমি যে ঘরটায় আছি তার জানালা খুললেই থই থই পানি।’ এই অভিজ্ঞতা তাঁকে অভিভূত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিনেত্রী রুনা খান হাওরের বর্ষার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে উঠেছেন।
- 📌 জানালা খুললেই থই থই পানি দেখে অভিভূত হন তিনি।
- 📌 হাওরের মানুষের জীবনযুদ্ধ ও প্রকৃতির বৈচিত্র্য তুলে ধরেছেন তাঁর কথায়।
- 📌 হুমায়ূন আহমেদের গানের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘জানালা খুললেই থই থই পানি।’
- 📌 হাওরের মানুষের টিকে থাকার লড়াই ও সংস্কৃতিচর্চার কথা জানিয়েছেন তিনি।
📰 বিস্তারিত
অভিনেত্রী রুনা খান সাময়িকভাবে হাওরে অবস্থান করছেন। শুটিংয়ের ফাঁকে তিনি হাওরের প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে শুরু করেছেন। তাঁর কথায়, ‘এর আগে শীতকালে সুনামগঞ্জে শুটিং করেছি। তখন শুনেছি বর্ষাকালে পানি থাকে। কিন্তু ধারণা ছিল না।’ এবার তিনি নিজের চোখে দেখেছেন হাওরের থই থই পানি। ধানক্ষেতগুলো তলিয়ে গেছে। চারদিকে শুধু পানি আর পানি। তাঁদের অবস্থান থেকে মেঘালয়ও দেখা যায়। রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে তা আরও সুন্দর লাগে বলে জানান তিনি।
রুনা খান বলেন, ‘আমি যে ঘরটায় আছি তার জানালা খুললেই থই থই পানি। কী যে সুন্দর! বলে বোঝানো সম্ভব না।’ তিনি আরও বলেন, দেশে এমন সুন্দর জায়গা আরও রয়েছে, যা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা এখানে আসতে পারেন প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
হাওরের মানুষের জীবনযুদ্ধ সম্পর্কেও কথা বলেন তিনি। তাঁর বর্ণনায়, হাওরের মানুষের বাড়িগুলো অল্প জমির ওপর তৈরি। পাঁচ থেকে দশ শতাংশ জমির ওপর পাঁচ থেকে বিশ ফিট উঁচু বাড়ি। বর্ষায় চারদিকে থই থই পানি থাকলে তা মনে হয় ছোট ছোট দ্বীপ। তিনি যে বাড়িতে আছেন তা একতলা। পুরো গ্রামে একমাত্র এই বাড়িই পাকা। ছাদে দাঁড়ালে মনে হয় পানির মাঝে সবুজ গ্রামগুলো ভেসে আছে।
অভিনেত্রীর কথায়, হাওরের মানুষ খুবই সহযোগিতা পরায়ণ। তাঁরা সংস্কৃতিচর্চায়ও এগিয়ে। অনেকেই থিয়েটার, যাত্রা ও কীর্তনে যুক্ত। চাষবাস করলেও সংস্কৃতির সঙ্গে তাঁদের জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। রুনা খান আরও জানান, হাওরের মানুষের জীবনযাপন ও টিকে থাকার লড়াই তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। অনেক পরিবার আছে যারা শহরে চাকরি করেন। আবার অনেক গৃহস্থ পরিবার আছে যারা বিঘার পর বিঘা জমি চাষ করেন। তবে ছয় মাস জমি থাকে পানির নিচে। তখন কৃষিনির্ভর পরিবারগুলোর জীবনযাপন মুশকিল হয়ে যায়।
স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি শুনেছেন বিঘার পর বিঘা ফসল তলিয়ে যাওয়ার করুণ গল্প। চাষিদের বুকের আশার জলাঞ্জলির আখ্যান। তিনি বলেন, ‘এখানকার জমিগুলোতে এক ফসল হয়। অনেক সময় তারা সে ফসলও ঘরে তুলতে পারে না। খেতের ধান কাটার আগেই পানিতে তলিয়ে যায়।’
"আমি যে ঘরটায় আছি তার জানালা খুললেই থই থই পানি। কী যে সুন্দর! বলে বোঝানো সম্ভব না। স্বচক্ষে দেখার ও উপভোগ করার ব্যাপার। এখানে এসে মনে হচ্ছে, দেশে এত সুন্দর সুন্দর জায়গা, বৈচিত্রময় প্রকৃতি! যদি একটু যত্নবান হওয়া যেত তবে জায়গাগুলো পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে নাম করত। বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাওর অঞ্চল, সুনামগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিনেত্রী রুনা খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ ফিট, ২০ ফিট, ১০ বার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!