📌 বর্ষার প্রকৃতির সঙ্গে মানবিক অনুভূতির মেলবন্ধনে রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা ও নৃত্যের মাধ্যমে সাজানো হয়েছিল ‘বাঁধনহারা বৃষ্টিধারা’ নামের বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনে অনুষ্ঠিত হয় এই অনুষ্ঠান
বর্ষার স্নিগ্ধ আবহ আর রবীন্দ্রসংগীতের সুরের মূর্ছনায় মুখরিত হয়েছিল রাজধানীর ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন। জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় ‘বাঁধনহারা বৃষ্টিধারা’ নামের বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রকৃতি, মানবিক অনুভূতি ও বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতির সম্মিলনে গড়ে ওঠা এই আয়োজনে দর্শকরা উপভোগ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রাবণ ও বৃষ্টি বিষয়ক গান, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় ‘বাঁধনহারা বৃষ্টিধারা’
- 📌 বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ষা ও শ্রাবণ বিষয়ক গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশিত হয়
- 📌 সম্মেলক কণ্ঠে পরিবেশিত হয় ‘শ্রাবণ মেঘের আধেক দুয়ার ওই খোলা’
- 📌 একক গানে অংশ নেন অভয়া দত্ত, সঞ্জয় বণিক, দীপ্র নিশান্ত, সুমা রাণী রায়, শিমু দে ও ফাহিম হোসেন চৌধুরী
- 📌 আবৃত্তি করেন মাহমুদা আক্তার
- 📌 অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন কৃষ্টি হেফাজ
📰 বিস্তারিত
বর্ষার প্রকৃতি ও মানবিক অনুভূতির সঙ্গে রবীন্দ্রসংগীতের সুরের সম্মিলনে সাজানো হয়েছিল ‘বাঁধনহারা বৃষ্টিধারা’ নামের বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনে অনুষ্ঠিত হয় এই আয়োজন। অনুষ্ঠানের শুরুতে সভাপতির বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি কৃষ্টি হেফাজ। তিনি বলেন, ‘আমরা দর্শকদের মানসম্পন্ন অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ার জন্য সচেষ্ট থাকি, যেন আমাদের সংস্কৃতির যে মান, তা বজায় থাকে। বাঙালির সংস্কৃতি সম্প্রীতি, পরস্পরের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির কথা বলে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ষড়ঋতু যেমন বৈচিত্র্যময়, সংস্কৃতিও তেমনি বৈচিত্র্যের ধারক। এই অনুষ্ঠানে বর্ষার রূপ তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।’ বক্তব্যের শেষে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শ্রাবণসন্ধ্যা’ থেকে অংশবিশেষ পাঠ করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জনা চৌধুরী।
এরপর শুরু হয় গানের পর্ব। সম্মেলক কণ্ঠে পরিবেশিত হয় ‘শ্রাবণ মেঘের আধেক দুয়ার ওই খোলা’। একক কণ্ঠের গানগুলোর মধ্যে অভয়া দত্ত পরিবেশন করেন ‘বন্ধু রহো রহো সাথে’, সঞ্জয় বণিক গেয়ে শুনিয়েছেন ‘বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি’ ও ‘আমার কী বেদনা সে কী জানো’। দীপ্র নিশান্ত পরিবেশন করেন ‘আমার যে দিন ভেসে গেছে’, সুমা রাণী রায় গেয়েছেন ‘বাদল–দিনের প্রথম কদম ফুল’, শিমু দে পরিবেশন করেছেন ‘চিত্ত আমার হারালো’, আর ফাহিম হোসেন চৌধুরী পরিবেশন করেন ‘আমার যে দিন ভেসে গেছে’। আবৃত্তি করেন মাহমুদা আক্তার।
অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছিল একক ও সম্মেলক কণ্ঠের গান, সম্মেলক গানের সঙ্গে সম্মেলক নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি দিয়ে। সম্মেলক নৃত্য ছিল ‘অম্বরে প্রচণ্ড ডম্বুর’, ‘আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদরদিনে’ ও ‘আমার নিশীথ রাতের বাদল ধারা’ এই গানগুলোর সঙ্গে। সন্ধ্যার শেষ ভাগে সম্মিলিত কণ্ঠে ‘যায় দিন শ্রাবণ দিন যায়’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান।
‘আমরা দর্শকদের মানসম্পন্ন অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ার জন্য সচেষ্ট থাকি, যেন আমাদের সংস্কৃতির যে মান, তা বজায় থাকে।’ — কৃষ্টি হেফাজ, সভাপতি, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন, ধানমন্ডি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষ্টি হেফাজ, নীলাঞ্জনা চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (অনুষ্ঠানের সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!