📌 বলিউডে অভিষেকের আগে নীহারিকা এনএম একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শর্ত প্রত্যাখ্যানের কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, অভিনয়শিল্পীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে সম্মান করা উচিত। মুম্বাইয়ে প্রশিক্ষণ চুক্তির কারণে তিনি দক্ষিণ ভারতের বেশ কয়েকটি সফল ছবি থেকে বঞ্চিত হন
বলিউডে অভিষেকের আগে নীহারিকা এনএম-এর অভিনয়জীবনে একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা ছিল। তার প্রথম হিন্দি ছবি ‘ভাই তেরা স্টার হ্যায়’-এ অভিনয়ের আগে তিনি একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শর্ত প্রত্যাখ্যানের কথা জানিয়েছেন। নীহারিকা বলেছেন, অভিনয়শিল্পীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে সম্মান করা উচিত এবং তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নীহারিকা এনএম বলিউডে অভিষেকের আগে একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শর্ত প্রত্যাখ্যান করেন, কারণ তিনি অস্বস্তি অনুভব করেছিলেন
- 📌 পরিচালক বডি ডাবল ব্যবহার করতে রাজি ছিলেন, কিন্তু নায়ক তা প্রত্যাখ্যান করেন
- 📌 নীহারিকা বলেন, ‘কোনো দৃশ্যে অভিনয় করবেন কি না, সেটি শিল্পীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত’
- 📌 মুম্বাইয়ে প্রশিক্ষণ চুক্তির কারণে তিনি দক্ষিণ ভারতের বেশ কয়েকটি সফল ছবি থেকে বঞ্চিত হন
- 📌 বলিউডে অভিনেত্রীদের চেহারা ও গায়ের রং নিয়ে কিছু ধরাবাঁধা ধারণা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি
- 📌 ‘ভাই তেরা স্টার হ্যায়’ দিয়ে বলিউডে নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন নীহারিকা
📰 বিস্তারিত
বলিউডে অভিষেকের আগে নীহারিকা এনএম-এর অভিনয়জীবনে একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা ছিল। তিনি বলেছেন, অভিনয়জীবনের শুরুতে তিনি নানা কারণে প্রত্যাখ্যাত হন। তবে একটি ঘটনা এখনো ভুলতে পারেননি। একটি ছবির জন্য খ্যাতনামা পরিচালক তাঁকে বেছে নিয়েছিলেন। অডিশন ও লুক টেস্টও হয়েছিল। এরপর তাঁর বাড়িতে চুক্তিপত্র পাঠানো হয়। চুক্তিপত্রে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ের শর্ত ছিল। নীহারিকা জানান, ‘পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। এতে আমার খুব অস্বস্তি হয়।’ তিনি বডি ডাবল ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ছবির নায়ক তা প্রত্যাখ্যান করেন।
নীহারিকা বলেন, ‘আমার সামনে দুটি পথ ছিল—শর্ত মেনে নেওয়া অথবা ছবি ছেড়ে দেওয়া। শেষ পর্যন্ত নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। ফলে ছবিটিই হাতছাড়া হয়ে যায়। নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁর কোনো অনুশোচনাও নেই। তিনি বলেন, ‘কোনো দৃশ্যে অভিনয় করবেন কি না, সেটি শিল্পীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করা উচিত।’
মুম্বাইয়ে শুরুর দিকের সংগ্রামের কথাও বলেছেন নীহারিকা। তিন–চার বছর আগে সেখানে এসে কার্তিক সুব্বারাজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্টোন বেঞ্চ ফিল্মসের সঙ্গে তিন বছরের প্রশিক্ষণ চুক্তি করেছিলেন তিনি। চুক্তির কারণে অন্য কোনো কাজে যুক্ত হতে পারেননি। দক্ষিণ ভারতের কয়েকটি ছবির প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিতে হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘চুক্তির কারণে করতে পারিনি। পরে যখন দেখলাম ছেড়ে দেওয়া ছবিগুলো দারুণ সফল হয়েছে, তখন খুব খারাপ লেগেছিল।’
বলিউডে কাজ খোঁজার অভিজ্ঞতাও সুখকর ছিল না। নীহারিকা বলেন, ‘হিন্দি ছবিতে অভিনেত্রীদের চেহারা, গায়ের রং ও সৌন্দর্য নিয়ে এখনো কিছু ধরাবাঁধা ধারণা রয়েছে। আমার মনে হয়েছিল, এটি এমন একটি জায়গা নয়, যেখানে আমার প্রতিযোগিতা করা উচিত।’
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন করে পথচলা শুরু করেন নীহারিকা। বিভিন্ন ভাষার ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান। ২০২৩ সালে মার্কিন অ্যানিমেটেড সিরিজ ‘সিটকম বিগ মাউথ’-এর সপ্তম মৌসুমে অতিথি কণ্ঠশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। বড় পর্দায় তাঁর যাত্রা শুরু হয় তামিল ছবি ‘পেরুসু’ দিয়ে। পরে অভিনয় করেন ‘মিত্রা মণ্ডলী’ ও ‘ইধয়ম মুরলি’তে। দক্ষিণ ভারতের ছবির পর এবার ‘ভাই তেরা স্টার হ্যায়’ দিয়ে বলিউডে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন নীহারিকা।
"কোনো দৃশ্যে অভিনয় করবেন কি না, সেটি শিল্পীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুম্বাই (ভারত), দক্ষিণ ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নীহারিকা এনএম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩-৪ বছর (প্রশিক্ষণ চুক্তি), ২০২৩ (বিগ মাউথে কাজ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!