📌 বৃষ্টির মধ্যে এক ছাতা দিয়ে অদিতিকে সাহায্য করার পর নিহাদকে তার নিজের আচরণে রাগান্বিত হয়। বন্ধুদের সাথে বৃষ্টিফি নিচ্ছে নিহাদ, হঠাৎ এক অপরিচিত মেয়েকে ছাতা দিলে তার নিজের মনোভাবের বিরুদ্ধে পড়ে যায়
বৃষ্টির পাতা পড়া মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্টের সামনে। নিহাদ ও তার বন্ধুরা বৃষ্টিফি নিচ্ছিলেন, যখন তার চোখ পড়ে এক মেয়েটির দিকে। মেয়েটি উৎসুক চোখে চারদিকে তাকিয়ে ছিল। নিহাদ এগিয়ে গিয়ে বললেন, ‘হ্যালো, আপনি কি কাউকে খুঁজছেন?’ মেয়েটি চশমার ফাঁকে আড়চোখে তাকিয়ে বলল, ‘এই মুহূর্তে একটি ছাতা খুঁজছি।’ নিহাদ ঝটপট নিজের ব্যাগ থেকে ছাতাটি এগিয়ে দিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিহাদ ও তার বন্ধুরা বৃষ্টির মধ্যে মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্টের সামনে বৃষ্টিফি নিচ্ছিলেন, যখন এক অপরিচিত মেয়েটির দিকে তার নজর গেল।
- 📌 মেয়েটি ছাতা খুঁজছিলেন, নিহাদ তাকে ছাতা দিলেন কিন্তু মেয়েটি বললেন, ‘লাগবে না’ এবং তার আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করলেন।
- 📌 মেয়েটির নাম অদিতি, তিনি নিহাদের ছাতা নিয়ে যাওয়ার পর নিজের আচরণে রাগান্বিত হন এবং তাকে ডাকলেন।
- 📌 নিহাদ অদিতিকে চিনতেন, তারা একসাথে পড়তেন। শামিম নামের এক বন্ধু তাদের কথা শুনে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ওকে মনে হয় তুমি চিনি?’
- 📌 নিহাদ বললেন, ‘অদিতি রাহিয়া, আমরা একসঙ্গে পড়তাম’।
📰 বিস্তারিত
বৃষ্টির পাতা পড়া মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্টের সামনে নিহাদ ও তার বন্ধুরা বৃষ্টিফি নিচ্ছিলেন। হঠাৎ নিহাদের চোখ পড়ে এক মেয়েটির দিকে। মেয়েটি উৎসুক চোখে চারদিকে তাকিয়ে ছিল। নিহাদ এগিয়ে গিয়ে বললেন, ‘হ্যালো, আপনি কি কাউকে খুঁজছেন?’ মেয়েটি চশমার ফাঁকে আড়চোখে তাকিয়ে বলল, ‘এই মুহূর্তে একটি ছাতা খুঁজছি।’ নিহাদ ঝটপট নিজের ব্যাগ থেকে ছাতাটি এগিয়ে দিলেন।
মেয়েটি বললেন, ‘থ্যাংকস, বাট লাগবে না’। নিহাদ জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেন, ছাতা সুন্দর নয়?’ মেয়েটি উত্তর দিলেন, ‘আসলে, তা নয়, এই যুগের ছেলেদের আমার চেনা আছে, প্রথমে কিছু দিয়ে নাম জিজ্ঞাসা করা, তারপর নিজে থেকে ফ্রেন্ডশিপ করা, তারপর ফ্রেন্ডশিপটাকে অন্যদিকে নিয়ে যাওয়া। তা ছাড়া আপনি অপরিচিত।’ নিহাদ বললেন, ‘ও হ্যালো, আপনি কয়টা ছেলে দেখেছেন কে জানে, আমি ওদের মতো নই, জাস্ট মানবতার খাতিরে আপনাকে হেল্প করতে আসলাম।’
এই সময় একটি মেয়ের আগমন ঘটল। মেয়েটি বলল, ‘এই অদিতি, কোথাও ছাতা পেলাম নারে। যা বৃষ্টি, আমার এই ছোট ছাতায় তো দুজন যেতে পারব না।’ অদিতি অসহায় চোখে অরিনের দিকে আর নিহাদের ছাতার দিকে তাকিয়ে ছিলেন। নিহাদ বললেন, ‘আরে, আমি এখানে দাঁড়িয়ে আছি কেন, আমি যাই কেমন?’ তিনি ঘুরে হাঁটা দিলেন। অদিতি নিজের আচরণে রাগান্বিত হয়ে তাকে ডাকলেন, ‘এই যে’। নিহাদ মুচকি হেসে শোনার ভান করলেন। অদিতি আবার ডাকলেন, ‘এক্সকিউজ মি, হ্যালো...’ এইবার নিহাদ দাঁড়ালেন এবং বললেন, ‘আমাকে ডাকছেন?’
অদিতি বললেন, ‘হে আপনাকেই, আশপাশে তো আর কেউ নেই।’ নিহাদ বললেন, ‘আমি তো আশপাশে অনেককেই দেখতে পাচ্ছি।’ অদিতি বললেন, ‘আমি আপনাকে যে শ্রাব্যতার সীমার মধ্যে দেখেছি, তার পাশে কেউ নেই।’ নিহাদ জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ও আচ্ছা, তা ডেকেছেন কেন?’ অদিতি বললেন, ‘ইয়ে মানে আপনার ছাতাটা দেওয়া যাবে?’ নিহাদ বললেন, ‘কেন, এখন কি আর আমি অপরিচিত নই? আর কী যেন, হ্যাঁ ফ্রেন্ডশিপ...তারপর...’ অদিতি বললেন, ‘আরে দিন না, এত কথা বলছেন কেন?’ নিহাদ ছাতাটা দিয়ে দিলেন এবং অদিতি দ্রুত চলে গেলেন।
"আচ্ছা, হিজাব পরিহিত চশমা পরা শ্যামবর্ণের মেয়েটি সেই ছোট বেলার অদিতি না তো?" আপন মনে বলছে নিহাদ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্টের সামনে (বৃষ্টির মধ্যে)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিহাদ, অদিতি, শামিম, অরিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক (ছাতা), দুজন (অদিতি ও অরিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!