📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মুম্বাইয়ের নারী জিনিয়া ঘুমের প্রতিযোগিতায় জিতলেন ৯.৬ লাখ রুপি ও স্পন্সরকৃত ছুটি

মুম্বাইয়ের নারী জিনিয়া ঘুমের প্রতিযোগিতায় জিতলেন ৯.৬ লাখ রুপি ও স্পন্সরকৃত ছুটি

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Amader Shomoy ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতে মুম্বাইয়ের জিনিয়া চ্যাটার্জি ঘুমের প্রতিযোগিতায় ৯.৬ লাখ রুপি এবং একটি স্পন্সরকৃত ছুটি জিতেছেন। ‘স্লিপ ইন্টার্নশিপ’ প্রতিযোগিতায় দুই লাখের বেশি আবেদনকারীর মধ্যে তিনি ‘স্লিপ চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে নির্বাচিত হন

ভারতের মুম্বাই থেকে এক নারী ঘুমের প্রতিযোগিতায় অদ্ভুত বিজয়ী হয়ে উঠেছেন। জিনিয়া চ্যাটার্জি ‘স্লিপ ইন্টার্নশিপ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ৯.৬ লাখ রুপি এবং একটি স্পন্সরকৃত ছুটি জিতেছেন। এই প্রতিযোগিতায় গোটা ভারত থেকে দুই লাখের বেশি আবেদনকারীর মধ্যে তিনি ‘স্লিপ চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে নির্বাচিত হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মুম্বাইয়ের জিনিয়া চ্যাটার্জি ঘুমের প্রতিযোগিতায় ৯.৬ লাখ রুপি এবং স্পন্সরকৃত ছুটি জিতেছেন
  • 📌 ‘স্লিপ ইন্টার্নশিপ’ প্রতিযোগিতায় ৬০ দিন ধরে চলা প্রতিযোগিতায় ১০ জনের মধ্যে তিনি শীর্ষে ছিলেন
  • 📌 প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ঘুমের পারফরম্যান্স ট্র্যাক করতে হতো এবং সাপ্তাহিক সৃজনশীল চ্যালেঞ্জে অংশ নেওয়া
  • 📌 প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনালে ‘মেমোরি ফোম চ্যালেঞ্জ’ এবং ‘স্লিপ অকশন’ পর্বে জিনিয়া বিজয়ী হন
  • 📌 এই প্রতিযোগিতার প্রথম চার মৌসুমে ১০ লাখের বেশি আবেদন পড়েছিল এবং ৬৫ জন প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা স্টাইপেন্ড দেওয়া হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

‘ওয়েকফিট’ ব্র্যান্ডের উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মূল কাজ ছিল নিয়মিত ঘুমানো এবং ঘুমের নির্দিষ্ট রুটিন বজায় রাখা। প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপে দুই লাখের বেশি আবেদনকারীর মধ্যে মাত্র ১০ জনকে চূড়ান্ত করা হয়। প্রতিযোগীরা প্রায় ৬০ দিন ধরে তাদের ঘুমের পারফরম্যান্স ট্র্যাক করতেন এবং প্রতিদিনের স্কোরের ভিত্তিতে লিডারবোর্ডে তাদের অবস্থান নির্ধারিত হতো।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের সাপ্তাহিক সৃজনশীল চ্যালেঞ্জে অংশ নেওয়ারও সুযোগ ছিল। এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যে ছিল ‘স্লিপ সিনেমা’ পর্বে বিখ্যাত সিনেমার দৃশ্য ঘুমের থিম দিয়ে পুনর্নির্মাণ করা, ‘স্লিপ বিঙ্গো’ পর্বে নিজের ঘুমের অভ্যাস মূল্যায়ন করা এবং ‘আন্ডারকভার স্লিপ মিশন’ পর্বে সাধারণ কথোপকথনে ‘কম্বল’ বা ‘বালিশ’ শব্দ দুটি ব্যবহার করা। প্রতিটি সপ্তাহে সেরা পারফর্ম করা প্রতিযোগীকে ‘প্রো স্লিপার অব দ্য উইক’ খেতাব দেওয়া হতো।

গ্র্যান্ড ফাইনালে জিনিয়া চ্যাটার্জির পাশাপাশি রত্নগিরি মানিকান্দিন এবং মেহিক খোত সেরা তিন জনের তালিকায় ছিলেন। তবে হায়দরাবাদের করিম খান সবচেয়ে বেশি সাপ্তাহিক চ্যালেঞ্জ জেতার সুবাদে ওয়াইল্ডকার্ড এন্ট্রি নিয়ে ফাইনালে প্রবেশ করেন। ফাইনালে দুটি প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল — ‘মেমোরি ফোম চ্যালেঞ্জ’ এবং ‘স্লিপ অকশন’। ‘মেমোরি ফোম চ্যালেঞ্জ’-এ রেফারেন্স ছবি দেখে বেডরুমের সেটআপ হুবহু তৈরি করতে হতো। অন্যদিকে ‘স্লিপ অকশন’-এ প্রতিযোগীদের বালিশ, কম্বল, এসি কন্ট্রোল, আলো এবং সাউন্ড সেটিংসের জন্য নিলামে দাম হাঁকতে হতো।

"জিনিয়া চ্যাটার্জি সবাইকে পেছনে ফেলে বিজয়ের হাসি হাসেন"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মুম্বাই, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিনিয়া চ্যাটার্জি, রত্নগিরি মানিকান্দিন, মেহিক খোত, করিম খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯.৬ লাখ রুপি, ৬০ দিন, ১০ জন চূড়ান্ত প্রতিযোগী, ২ লাখ আবেদনকারী, ১০ লাখের বেশি আবেদন (প্রথম চার মৌসুম), ৬৫ জন ইন্টার্ন (প্রথম চার মৌসুম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖