📌 সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার চিত্রনায়িকা পরীমনিকে আদালত প্রাঙ্গণে ঘটনার জেরে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। পরীমনিকে সাত দিনের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
চিত্রনায়িকা পরীমনিকে আদালত প্রাঙ্গণে ৫ নভেম্বর সংঘটিত ঘটনার জন্য আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পরীমনিকে সাত দিনের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে অনুরোধ করেছেন। আইনি নোটিশে পরীমনিকে ভবিষ্যতে অশ্লীল কথা, হুমকি, অশ্লীল অভিনয় বা অঙ্গভঙ্গি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার পরীমনিকে ৫ নভেম্বর আদালত প্রাঙ্গণে ঘটনার জন্য আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন
- 📌 পরীমনিকে সাত দিনের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে
- 📌 নোটিশে বলা হয়েছে, পরীমনি যদি ক্ষমা না চায়, তাহলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে
- 📌 আদালত প্রাঙ্গণে ঘটনায় সাংবাদিক রবিউল হোসাইন আহত হন এবং পরীমনি তাঁর দিকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করেন
- 📌 ঘটনায় একজন বিচারপ্রার্থী সুজন চন্দ্র মণি দাসের মাথা ফেটে রক্ত বের হয়
📰 বিস্তারিত
৫ নভেম্বর আদালত প্রাঙ্গণে সংঘটিত ঘটনার জেরে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে। আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার বলেন, রেজিস্ট্রি ডাকযোগে আজ রোববার সকালে পরীমনিকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে পরীমনিকে বলা হয়েছে, তিনি ভবিষ্যতে কোনো প্রকার অশ্লীল কথা, হুমকি, অশ্লীল অভিনয় বা অঙ্গভঙ্গি থেকে বিরত থাকবেন। নোটিশে বলা হয়েছে, এই ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের কোনো শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, পরীমনি যদি ক্ষমা না চায়, তাহলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবেন। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, পরীমনি একজন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের মামলায় আত্মসমর্পণ করে আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। সেদিন বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গাড়ি থেকে নেমে এজলাসের দিকে যাওয়ার সময় পরীমনির ছবি-ভিডিও ধারণ করতে চাইলে তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের ধাক্কাধাক্কি হয়। সে সময় পরীমনি সমকালের একজন মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টারের মুঠোফোন কেড়ে নেন। তাঁর ভিডিও ধারণের কাজে ব্যবহৃত ট্রাইপডটি পরীমনির সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা ভেঙে ফেলেন।
আদালত প্রাঙ্গণে সেদিনের ধাক্কাধাক্কির ঘটনায় গণমাধ্যমের কয়েকজন প্রতিবেদক আহত হন। বিশেষ করে, একজন পেশাগত সাংবাদিক রবিউল হোসাইন (যিনি ডান হাত জন্মগতভাবে বাঁ হাতের তুলনায় ছোট এবং তিনটি আঙুল নেই) পরীমনির দিকে তেড়ে যান। পরীমনি তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করেন এবং প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেন। এই ঘটনার ভিডিও গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। একজন পেশাগত সাংবাদিকের সঙ্গে পরীমনির এমন আচরণ শুধু তাঁর পেশাগত মর্যাদার ওপর আঘাত নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের পরিবেশের জন্যও হুমকিস্বরূপ।
"আদালত প্রাঙ্গণে প্রত্যেকের নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্র ও প্রশাসনের কাজ। তাই ব্যক্তিগত একাধিক নিরাপত্তাকর্মী দিয়ে আদালতের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ বা পেশিশক্তি প্রদর্শনের কোনো সুযোগ আইনে কারও নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চিত্রনায়িকা পরীমনি, আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার, সাংবাদিক রবিউল হোসাইন, সুজন চন্দ্র মণি দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ নভেম্বর, ১১টা ৪০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!