📌 নোবেল বিজয়ী লেখক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের উপন্যাস ‘মেমোরিজ অব দ্য মেলানকলি হোরস’-এর প্রথম অধ্যায়ের অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। অনুবাদক গাউস রহমান পিয়াসের হাতে লেখা এই গল্পে বর্ণিত হয়েছে কুমারী প্রেমের অপেক্ষায় এক পণ্ডিতের অভিজ্ঞতা এবং তার জীবনের এক অনন্য রাতের ঘটনা
নোবেল বিজয়ী লেখক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের বিখ্যাত উপন্যাস ‘মেমোরিজ অব দ্য মেলানকলি হোরস’-এর প্রথম অধ্যায়ের অনুবাদ প্রথম আলোর অনলাইন পাঠকদের জন্য প্রকাশিত হয়েছে। অনুবাদ করেছেন গাউস রহমান পিয়াস। এই অনুবাদটি প্রথম আলোর সাময়িকীতে ২০০৫ সালের ১১ নভেম্বর প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু এখন অনলাইনে পাঠকদের জন্য উপস্থাপিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের উপন্যাস ‘মেমোরিজ অব দ্য মেলানকলি হোরস’-এর প্রথম অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে একজন বিষণ্ন পণ্ডিতের কুমারী প্রেমের অপেক্ষায় এক রাতের ঘটনা
- 📌 লেখক নিজেকে উপহার দিতে চেয়েছিলেন কৈশোরপ্রাপ্ত কুমারীকে বুনো প্রেমের রাতে, কিন্তু তার চরিত্রের শুদ্ধতা নিয়ে গণিকালয়ের মালিক রোজা কাবারকাসের সন্দেহ ছিল
- 📌 রোজা কাবারকাসের প্রস্তাব ছিল ‘আধডজন আনন্দ খোরাক’, কিন্তু লেখক চেয়েছিলেন কুমারীকে অপরিবর্তিত রেখে এক রাতের প্রেমের অভিজ্ঞতা
- 📌 লেখক বলেছিলেন, ‘আমি ভালো করেই জানি আমি কী পারি আর কী পারি না’ এবং তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল তার নিজস্ব স্বাধীন ইচ্ছা
- 📌 গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের জীবনের বর্ণনা থেকে জানা যায়, তিনি একাকী জীবন যাপন করেছেন একটি ঔপনিবেশিক বাড়িতে, যেখানে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং একাকী মৃত্যুবরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের এই স্মৃতিকথায় বর্ণিত হয়েছে, তিনি যখন নব্বই বছর বয়সে পা দিয়েছিলেন, তখন তিনি নিজেকে উপহার দিতে চেয়েছিলেন কুমারী প্রেমের একটি রাতে। তার মনে পড়েছিল রোজা কাবারকাস, একজন গণিকালয়ের মালিক, যিনি নতুন মেয়েদের খবর দিতেন তার ভালো খদ্দেরদের। রোজা কাবারকাসের বিশ্বাস ছিল যে লেখকের চরিত্রের শুদ্ধতা তার কাছে সন্দেহজনক। লেখক বলেছেন, ‘আমি কখনো বশ হইনি’ তার প্রলোভনের কোনোটির, কিন্তু তার বিশ্বাস ছিল না।
একদিন রোজা কাবারকাসের কণ্ঠস্বর শুনে লেখক বুঝতে পারলেন যে সে তার দিকে গুলি ছুড়বে। লেখক বললেন, ‘আজই সেই দিন’। রোজা কাবারকাসের প্রতিক্রিয়া ছিল, ‘বিশ বছর লাপাত্তা আর ফিরে এলেন এমন কিছু চাইতে, যা দেওয়া অসম্ভব’। লেখক বললেন, ‘আমি ভালো করেই জানি আমি কী পারি আর কী পারি না’ এবং চেয়েছিলেন কুমারীকে অপরিবর্তিত রেখে এক রাতের প্রেমের অভিজ্ঞতা। রোজা কাবারকাসের প্রশ্ন ছিল, ‘তুমি কী প্রমাণ করতে চাইছ?’ লেখক উত্তর দিলেন, ‘কিছুই না’।
রোজা কাবারকাসের কথা ছিল, ‘পণ্ডিতেরা এটি হয়তো ভালোই জানেন, তবে তারা সবকিছু জানেন না’। তিনি বললেন, ‘বিশ্বে শুধু সেসব কন্যারাশির জাতকেরাই রয়ে গেছেন, যারা তোমার মতো জন্মেছে আগস্টে’। লেখক বললেন, ‘প্রত্যাদেশ কখনো জানান দিয়ে আসে না’। রোজা কাবারকাসের প্রস্তাব ছিল, ‘আমি তোমাকে এক ঘণ্টার মধ্যে ফোন করছি’। লেখক বললেন, ‘এভাবে বলতে হয় না, কারণ মানুষ তা অল্প দূর থেকেই দেখতে পায়: আমি কুৎসিত, লাজুক এবং যুগ-অনুপযোগী’।
লেখক তার জীবনের বর্ণনা দিয়েছেন, তিনি একাকী জীবন যাপন করেছেন একটি ঔপনিবেশিক বাড়িতে, সান নিকোলাস পার্কের রৌদ্রোজ্জ্বল দিকটায়। তিনি বলেছেন, ‘আমি থাকি একটি ঔপনিবেশিক বাড়িতে, যেখানে আমি ব্যয় করেছি আমার জীবনের সব কটি দিন স্ত্রী ছাড়া, ভাগ্য ছাড়া’। বাড়িটি ছিল খোলামেলা ও উজ্জ্বল, কিন্তু সূর্যের আলো এবং গরমের কারণে দিবানিদ্রার সময় জানালাগুলো বন্ধ করতে হত। লেখক বলেছেন, ‘আমি থাকি ওই একই শয্যায়, যাতে আমি জন্মেছিলাম এবং এমন এক দিনে, যা দূরবর্তী ও বেদনাবিহীন হবে বলে আশা করছি’।
"আমি ভালো করেই জানি আমি কী পারি আর কী পারি না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্কের ঔপনিবেশিক বাড়ি, সান নিকোলাস পার্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস, রোজা কাবারকাস, গাউস রহমান পিয়াস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ বছর বয়সে একাকী জীবন শুরু, ১১ নভেম্বর ২০০৫ অনুবাদ প্রকাশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!