📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরের স্মৃতিমাখা দিনগুলো: নজরুলের সঙ্গে পদ্মার চরে হাবুডুবু খাওয়া আর সিরাজের দুষ্টুমি

ফরিদপুরের স্মৃতিমাখা দিনগুলো: নজরুলের সঙ্গে পদ্মার চরে হাবুডুবু খাওয়া আর সিরাজের দুষ্টুমি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুর ভ্রমণে লেখকের সঙ্গে ছিলেন নজরুল ও হাসনাত। সেখানে তারা নজরুলের পরিবারের সঙ্গে মিলেমিশে খাওয়া-দাওয়া করেন। পদ্মার চরে বন্দুক নিয়ে দুঃসাহসী অভিযান চালালেও শিকার হয়নি কিছুই। সিরাজের সঙ্গে শৈশবের দুষ্টুমির স্মৃতি আর সিঙ্গাপুর ভ্রমণের গল্পও উঠে এসেছে লেখকের বর্ণনায়

বিকেলে লেখক ও হাসনাত খানপুর কুমুদিনী কোয়ার্টারে নজরুলের বাসায় যান। তখন নজরুল অফিসে ছিলেন। নজরুলের খালাম্মা পাটিশাপটা পিঠা তৈরি করে তাদের অভ্যর্থনা জানান। লেখক ও হাসনাত বারো আনাই পিঠা খেয়ে ফেলেন। খালাম্মার সেই হাসিমুখ লেখকের মনে গেঁথে যায়। ক্ষুধার্ত থাকায় তারা অপদার্থের মতো পিঠা খান। নজরুল অফিস থেকে ফিরলে লেখক তার কাছ থেকে সিগারেটের পয়সা চান। নজরুলের অভাবের কথা জানতে পেরে লেখক তার হাসিতে মুগ্ধ হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিকেলে লেখক ও হাসনাত নজরুলের বাসায় যান, যেখানে খালাম্মা পাটিশাপটা পিঠা তৈরি করেন
  • 📌 লেখক ও হাসনাত বারো আনাই পিঠা খেয়ে ফেলেন, খালাম্মার হাসিমুখ লেখকের স্মৃতিতে রয়ে যায়
  • 📌 নজরুল অফিস থেকে ফিরলে লেখক তার কাছ থেকে সিগারেটের পয়সা চান
  • 📌 ১৯৮০ সালে নজরুল লেখককে ফরিদপুর ভ্রমণের প্রস্তাব দেন
  • 📌 ফরিদপুরে লেখক জসীমউদ্দীনের বাড়ি ও নক্সী-কাঁথার মাঠ দেখেন
  • 📌 নজরুল ও লেখক পদ্মার চরে বন্দুক নিয়ে দুঃসাহসী অভিযানে নামেন
  • 📌 নজরুল চরের চোরাবালিতে আটকে যান, শিকার হয়নি কিছুই
  • 📌 লেখক ও হাসনাত ব্রিজ নদীর পাড় ও অলিগলি ঘুরে বেড়ান
  • 📌 হাসনাতের টেলিগ্রাম পেয়ে লেখক ফিরে আসেন
  • 📌 নজরুল লেখকের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন, তার ছোট ভাই বাবুল লেখকের ক্লাসফ্রেন্ড ছিলেন
  • 📌 শবে বরাতের রাতে শিশুরা কনডেন্সড মিল্কের কৌটায় মোমবাতি জ্বালিয়ে হাঁটত
  • 📌 সিরাজ লেখকের শার্টে লন্ঠন হুক করে দেন, যা লেখকের অগোচরে ছিল
  • 📌 সিঙ্গাপুর ভ্রমণে সিরাজ লেখককে এয়ারপোর্টে নিয়ে যান, তার মেয়ে আলেয়া লেখকের মেয়ের সঙ্গে খেলা করে
  • 📌 গত ২৭ বছরে সিরাজের সঙ্গে লেখকের আর দেখা হয়নি

📰 বিস্তারিত

লেখক ও হাসনাত খানপুর কুমুদিনী কোয়ার্টারে নজরুলের বাসায় যান বিকেলে। তখন নজরুল অফিসে ছিলেন। নজরুলের খালাম্মা পাটিশাপটা পিঠা তৈরি করে তাদের অভ্যর্থনা জানান। লেখক ও হাসনাত বারো আনাই পিঠা খেয়ে ফেলেন। খালাম্মার সেই হাসিমুখ লেখকের মনে গেঁথে যায়। ক্ষুধার্ত থাকায় তারা অপদার্থের মতো পিঠা খান। নজরুল অফিস থেকে ফিরলে লেখক তার কাছ থেকে সিগারেটের পয়সা চান। নজরুলের অভাবের কথা জানতে পেরে লেখক তার হাসিতে মুগ্ধ হন।

১৯৮০ সালে নজরুল লেখককে ফরিদপুর ভ্রমণের প্রস্তাব দেন। লেখক তার বোনদের সঙ্গে দেখা করেন। ফরিদপুরে লেখক জসীমউদ্দীনের বাড়ি ও নক্সী-কাঁথার মাঠ দেখেন। তিনি ইয়াসিকা ক্যামেরায় ছবি তোলেন। নজরুল ও লেখক পদ্মার চরে বন্দুক নিয়ে দুঃসাহসী অভিযানে নামেন। নজরুল চরের চোরাবালিতে আটকে যান। শিকার হয়নি কিছুই। বিকেলে চা খেয়ে তারা আবার বের হন। ব্রিজ নদীর পাড় ও অলিগলি ঘুরে বেড়ান।

হাসনাতের টেলিগ্রাম পেয়ে লেখক ফিরে আসেন। কারণ সেলিমের জাহাজ নোঙর ফেলেছিল। লেখক ও হাসনাত ভ্রমণের ইতি টানেন। নজরুল লেখকের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন। তার ছোট ভাই বাবুল লেখকের ক্লাসফ্রেন্ড ছিলেন। সবার ছোট সিরাজ ছিল দুষ্টু প্রকৃতির। শবে বরাতের রাতে শিশুরা কনডেন্সড মিল্কের কৌটায় মোমবাতি জ্বালিয়ে হাঁটত। লেখকের শার্টে সিরাজ লন্ঠন হুক করে দেন।

সিঙ্গাপুর ভ্রমণে সিরাজ লেখককে এয়ারপোর্টে নিয়ে যান। তার মেয়ে আলেয়া লেখকের মেয়ের সঙ্গে খেলা করে। তারা ডিজনিল্যান্ড সন্তোষা ও বার্ড পার্কে ঘুরে বেড়ান। ঢাকায় ফেরার দিন সিরাজের স্ত্রীর বড় বোন নিজে গাড়ি চালিয়ে লেখককে এয়ারপোর্টে ড্রপ করেন। গত ২৭ বছরে সিরাজের সঙ্গে লেখকের আর দেখা হয়নি। করোনাকালে তাদের ফোনে কথা হয়েছিল।

"দিনে দিনে বাড়িতেছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদপুর, ঢাকা, সিঙ্গাপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেখক, নজরুল, হাসনাত, সিরাজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖