📌 সুদর্শন গায়ক কুমার বিশ্বজিৎ ‘চিরসবুজ’ গানের মাধ্যমে জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতি, প্রেম, সংসার ও একাকীত্বের গভীরতা প্রকাশ করেছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, চন্দনা এখন নাতি-নাতনি নিয়ে ব্যস্ত এবং প্রেমের গানগুলো তার জীবনের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন
সুদর্শন গায়ক কুমার বিশ্বজিৎ ‘চিরসবুজ’ গানের মাধ্যমে জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতি, প্রেমের গভীরতা, সংসারের চাপ এবং একাকীত্বের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, তার গানের নায়িকা চন্দনা এখন নাতি-নাতনি নিয়ে ব্যস্ত। কুমার বিশ্বজিৎের কথায়, ‘চন্দনা এখন নাতি-নাতনি নিয়ে ব্যস্ত’ — এই বাক্যটি তার জীবনের পরিবর্তনের প্রতীক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমার বিশ্বজিৎ ‘চিরসবুজ’ গানের মাধ্যমে প্রেমের সীমান্ত, সংসারের চাপ এবং একাকীত্বের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
- 📌 তিনি বলেছেন, ‘চন্দনা গো, রাগ কোরো না’ গানটির চন্দনা এখন নাতি-নাতনি নিয়ে ব্যস্ত।
- 📌 ‘ও ডাক্তার, আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি’ গানটিতে তিনি বলেছেন, প্রেমের রোগ নয়, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।
- 📌 ‘তুমি রোজ বিকেলে আমার বাগানে ফুল নিতে আসতে’ গানটি আধুনিক জীবনযাপনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তিনি বলেছেন, ‘তুমি রোজ বিকেলে আমার বারান্দায় টবের মরিচ নিতে আসতে’।
- 📌 কুমার বিশ্বজিৎ ঢাকার যানজট ও হর্নের শব্দ মিস করেন না, কানাডার নীরবতা একাকীত্বের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।
📰 বিস্তারিত
সাক্ষাৎকারে কুমার বিশ্বজিৎ বলেছেন, ‘আপনি যাকে পুতুলের মতো সাজিয়ে হৃদয়ের কোটরে রাখতে চাইলেন, সে এখনো কোটরে আছে তো? নাকি বের হয়ে বলছে ‘আমি পুতুল না, মানুষ!’’ তিনি বলেন, ‘আমি বলি ‘ভাড়া দাও’! কোটরের ভাড়া এখন অনেক!’ এই কথাগুলো তার জীবনের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন।
‘চন্দনা গো, রাগ কোরো না’ গানটির চন্দনা সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘চন্দনা হলো আমার গানের নায়িকা। ৪০ বছর ধরে খুঁজছ? পাবে না। কারণ, চন্দনা এখন নাতি-নাতনি নিয়ে ব্যস্ত!’ তিনি ‘ও ডাক্তার, আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি’ গানটিতে বলেছেন, ‘অপারেশনের পর ডাক্তার বললেন, ‘আপনার রোগ প্রেম না, গ্যাস্ট্রিক!’
কুমার বিশ্বজিৎ ‘তুমি রোজ বিকেলে আমার বাগানে ফুল নিতে আসতে’ গানটিকে আধুনিক জীবনযাপনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে বলেছেন, ‘এখনকার ফ্ল্যাট–সংস্কৃতির যুগে থাকে সর্বোচ্চ একটা ছোট বারান্দা। যদি কেউ বিকেলে বারান্দায় মানিপ্ল্যান্টের পাতা বা মরিচগাছ থেকে মরিচ চুরি করতে আসে, তাকে নিয়ে কি এমন রোমান্টিক গান লেখা সম্ভব?’ তিনি বলেন, ‘তখন গানের লিরিকটা একটু বদলে যাবে! ‘তুমি রোজ বিকেলে আমার বারান্দায় টবের মরিচ নিতে আসতে, জানি না তুমি মরিচ না, ঝাল খেতে বেশি ভালোবাসতে!’
কুমার বিশ্বজিৎ ‘আমি সাম্পানে বান্ধিব ঘর, তুমি সাথি হলে’ গানটিতে বলেছেন, ‘এখন কী অবস্থা? সাম্পান আছে, কিন্তু ঘর নাই। ঘর এখন পদ্মা সেতুর নিচে চলে গেছে! এখন ফ্ল্যাটে থাকি, সাম্পানটা স্মৃতি হিসেবে রেখেছি।’ তিনি ‘তুলতুল’ ডাকনামের কথা বলেছেন, ‘ছোটবেলায় আপনার মা আপনার ওপর রাগ করলে কি ‘তুলতুল’ই ডাকত, নাকি সেটা হয়ে যেত ‘টুলটুল’। আর আপনার কাছে মনে হতো কোনো মিউজিক্যাল ‘টুলস’ বা বাদ্যযন্ত্র।’
কুমার বিশ্বজিৎ কানাডায় থাকা সত্ত্বেও ঢাকার যানজট ও গাড়ির হর্নের শব্দ মিস করেন। তিনি বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, কানাডার নীরবতার মধ্যে যখন খুব একা লাগে, মনে হয় কোনো বিস্তীর্ণ সুনসান বিরান ভূমিতে চলে যাই। চিৎকার করে কাঁদি। এই সময় মাকে খুব মিস করি, আর তখন একা একা নিজের গানটাই গুনগুন করি, ‘মায়ের মমতা ছাড়া কে থাকে ভালো’।’
"আমি বলি ‘ভাড়া দাও’! কোটরের ভাড়া এখন অনেক! ‘যেখানে সীমান্ত তোমার, সেখানে বসন্ত আমার...’, সীমান্তে বসন্ত! কেমনে কী? ওইটা মনের সীমান্ত! পাসপোর্ট–ভিসা লাগে না। ভালোবাসার সীমান্তে সব সময় বসন্ত। বিজিবি আটকাবে না!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কানাডা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কুমার বিশ্বজিৎ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!