📌 ব্ল্যাকপিংকের সদস্য জেনির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভিডিওটি জাপানের সামার সনিক উৎসবের দাবি করা হলেও অনেকেই একে ডিপফেক হিসেবে সন্দেহ করছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার আইনে ডিপফেকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে
ব্ল্যাকপিংকের সদস্য জেনির নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নিয়ে এখন বিতর্কের ঝড় উঠেছে। ভিডিওটিতে জেনিকে মঞ্চে নাচতে দেখা যায় বলে দাবি করা হলেও তার পোশাক নিয়ে বিব্রতকর অবস্থার দৃশ্য প্রকাশ পাওয়ায় তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওটি জাপানের রাজধানী টোকিওতে অনুষ্ঠিত সামার সনিক ২০২৬ উৎসবের বলে দাবি করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে জেনির মঞ্চে নাচার সময় পোশাক নিয়ে বিব্রতকর অবস্থা দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে
- 📌 ভিডিওটি টোকিওর সামার সনিক ২০২৬ উৎসবের দাবি করা হলেও এর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে
- 📌 ভিডিওটি ডিপফেক হতে পারে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার আইনে ডিপফেকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ কোটি ওন জরিমানার বিধান রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওটিতে জেনিকে মঞ্চে নাচতে দেখা যায় বলে দাবি করা হলেও তার পোশাকের কারণে তিনি বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওটি জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত সামার সনিক ২০২৬ উৎসবের বলে দাবি করা হচ্ছে। উৎসবটির টোকিও ও ওসাকা—দুই পর্বেই জেনি অংশ নিয়েছিলেন।
ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ দেখা দিয়েছে। অনেকে মনে করছেন, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিও হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ ভিডিওটির সত্যতা যাচাই না করে তা ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার আইনে ডিপফেকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে আইন সংশোধন করে ডিপফেকের বিরুদ্ধে শাস্তি আরও কঠোর করা হয়েছে। কারও মুখ, শরীর বা কণ্ঠ ব্যবহার করে যৌন হয়রানিমূলক ডিপফেক ভিডিও তৈরি করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ কোটি ওন জরিমানা হতে পারে। এমন ভিডিও রাখা, কেনা, সংরক্ষণ বা দেখার জন্যও সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা তিন কোটি ওন জরিমানার বিধান রয়েছে।
"কে-পপ তারকারা সাম্প্রতিক সময়ে ডিপফেকের বড় লক্ষ্য হয়ে উঠেছেন। ২০২৪ সালে কোরিয়া কমিউনিকেশনস স্ট্যান্ডার্ডস কমিশন জানায়, কে-পপ তারকাদের নিয়ে তৈরি যৌন হয়রানিমূলক ডিপফেক ভিডিও আগের বছরের তুলনায় চার গুণ বেড়েছে। মার্কিন সাইবার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান সিকিউরিটি হিরোর তথ্য উদ্ধৃত করে ২০২৪ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ডিপফেক পর্নোগ্রাফির সবচেয়ে বেশি শিকার হওয়া ১০ জনের মধ্যে আটজনই কে-পপ শিল্পী।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টোকিও, জাপান
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জেনি (ব্ল্যাকপিংক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ (আগস্টে অনুষ্ঠিত উৎসব), ১০ (ডিপফেক শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কে-পপ শিল্পীর সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!