📌 সিডনির নরওয়েস্ট কনভেনশন সেন্টারে ১২ সেপ্টেম্বর কনসার্টের পর জেমস চার দিন শহরের পথে শান্ত, নিরবচর এবং কৌতূহলী পর্যবেক্ষক হিসেবে দেখা দেন। সুরে ডুবে যাওয়া থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতা হিসেবে সুগন্ধি কিনা, আলোকচিত্রের প্রতি অনুরাগ পর্যন্ত — জেমসের এই অন্য রূপের গল্প আজ জানা যাচ্ছে
সিডনির ব্যস্ত সড়কপথে একজন সাধারণ পর্যটকের মতো ঘুরছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় রকশিল্পী জেমস। কিন্তু তার এই শান্ত মনের ভ্রমণ শুরু হয়েছিল ১২ সেপ্টেম্বর রাতে নরওয়েস্টের হিলসং কনভেনশন সেন্টারে এক মেগা কনসার্টের মাধ্যমে। ‘দুষ্টু ছেলের দল’, ‘মা’ এবং ‘ভিগি ভিগি’ সহ গান গেয়ে হাজারো দর্শককে মেতিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কনসার্ট শেষে জেমসের জীবনের অন্য এক দিক উন্মোচিত হয় — সুরের প্রতি তার গভীর সংযোগ এবং নিরবচর পর্যবেক্ষক হিসেবে তার স্বভাব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ সেপ্টেম্বর সিডনির হিলসং কনভেনশন সেন্টারে কনসার্টের পর জেমস চার দিন শহরের পথে শান্ত পর্যবেক্ষক হিসেবে দেখা দেন
- 📌 পথশিল্পীর বেহালা শুনতে দাঁড়িয়ে যাওয়ার মুহূর্তে জেমসের মধ্যে সুরের প্রতি অপরিবর্তনীয় আকর্ষণ প্রকাশ পায়
- 📌 সাধারণ ক্রেতার মতো সুগন্ধি কিনা, আলোকচিত্রের প্রতি অনুরাগ — জেমসের এই অন্য রূপের গল্প আজ প্রকাশ পায়
- 📌 কিরিবিলির ঘাটে পেশাদার আলোকচিত্রী জেমসকে পোজ দেওয়ার নির্দেশ দিলে তিনি মিষ্টি হেসে সম্মত হন
- 📌 সিডনির পথে জেমস শুনছিলেন ফরাসি জ্যাজ — সুরের ভাষা না বুঝলেও তার আবেগ সরাসরি মানুষের মনে পৌঁছায়
📰 বিস্তারিত
১২ সেপ্টেম্বর রাতে সিডনির নরওয়েস্টের হিলসং কনভেনশন সেন্টারে জেমসের কনসার্টের পর চার দিনের মধ্যে তিনি শহরের পথে অন্য এক রূপে দেখা দেন। পথশিল্পীর বেহালা শুনতে দাঁড়িয়ে যাওয়ার মুহূর্তে তার মধ্যে সুরের প্রতি অপরিবর্তনীয় আকর্ষণ প্রকাশ পায়। কোনো কথা নেই, তাড়া নেই — শুধু সুরে ডুবে থাকা। জেমসের এই শান্ত মনের ভ্রমণ শুরু হয় সিডনির ব্যস্ত সড়কপথে। পাশে কোনো মঞ্চ নেই, সামনে হাজারো দর্শকও নেই। একটু দূরে দাঁড়িয়ে অপলক শুনতে থাকলেন অচেনা শিল্পীর বাদন।
জেমসের এই অন্য রূপের গল্প আজ প্রকাশ পায়। সিডনির বাণিজ্যিক এলাকার বিপণিবিতান ও বাজারে সাধারণ ক্রেতার মতো ঘুরেছেন তিনি। সহধর্মিণীর দেওয়া তালিকা দেখে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনেছেন। নিজের পছন্দের সুগন্ধির খোঁজে ঢুঁ মেরেছেন শহরের একটি পুরোনো অভিজাত দোকানেও। সেখানে সময় নিয়ে একের পর এক সুবাস পরখ করেছেন, তারপর কিনেছেন পছন্দের সুগন্ধি। দোকানের বিক্রেতা কিংবা আশপাশের ক্রেতাদের আচরণেও বাড়তি কৌতূহল দেখা যায়নি। তাঁরা বুঝতেই পারেননি, পাশেই সাধারণ ক্রেতার মতো দাঁড়িয়ে আছেন বাংলাদেশের রকসংগীতের অন্যতম প্রধান শিল্পী।
জেমসের লেন্সে অপেরা হাউস সংগীতের বাইরে আলোকচিত্রের প্রতি তার অনুরাগ পুরোনো। সিডনিতেও ক্যামেরা ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী। বিকেল হলেই কখনো আয়োজক বেঙ্গলি সিনে ক্লাবের তানিম মান্নান, প্রসেনজিৎ রায় ও সৈকত মণ্ডলের সঙ্গে বেরিয়ে পড়েছেন। কখনো তাঁর সহযাত্রী হয়েছেন দীর্ঘদিনের সঙ্গী আহসান এলাহী ফান্টি, গিটারিস্ট তালুকদার সাব্বির, ইশমামুল ফরহাদ, কিবোর্ডিস্ট আবদুল কাইয়ুম ও ব্যবস্থাপক রুবাইয়াত ঠাকুর। কিরিবিলির ঘাটে ঘটে মজার এক ঘটনা। জেমস ও তাঁর সঙ্গীরা নিজেদের একটি ছবি তুলে দিতে অনুরোধ করেন। সেই ভিনদেশি ব্যক্তিও ছিলেন পেশাদার আলোকচিত্রী। ক্যামেরা হাতে নিয়েই তিনি জেমসকে নির্দেশ দিতে শুরু করেন, ‘এভাবে নয়, ওভাবে তাকান! চোখ বন্ধ হয়ে আসছে, চোখ খুলুন!’ জেমসকে এভাবে নির্দেশ দিতে দেখে সঙ্গীরা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। কিন্তু জেমস মিষ্টি হেসে আলোকচিত্রীর প্রতিটি নির্দেশ মেনে পোজ দিতে থাকেন। ঘটনাটি উপভোগও করেন বেশ।
"সুরের কোনো ভাষা কিংবা ভূগোল নেই। গানের ভাষা না বুঝলেও তার আবেগ সরাসরি মানুষের মনে পৌঁছে যেতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিডনি (নরওয়েস্টের হিলসং কনভেনশন সেন্টার, কিরিবিলি, অপেরা হাউস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেমস, রূপম ইসলাম, তানিম মান্নান, প্রসেনজিৎ রায়, সৈকত মণ্ডল, আহসান এলাহী ফান্টি, তালুকদার সাব্বির, ইশমামুল ফরহাদ, আবদুল কাইয়ুম, রুবাইয়াত ঠাকুর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ সেপ্টেম্বর (কনসার্ট তারিখ), চার দিন (সিডনিতে থাকা সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!