📌 ব্যান্ড সংগীতের জনপ্রিয় তারকা আনাম জেমস স্টকহোমে কনসার্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, অতীত নিয়ে ভাবতে চান না। তিনি মনে করেন, লাইভ মিউজিকই মানুষকে জীবিত রাখবে এবং এআই-নির্ভর সংগীত একসময় একঘেয়ে হয়ে যাবে। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার পৃষ্ঠপোষকদেরও তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন
ব্যান্ড সংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী আনাম জেমস সুইডেনের স্টকহোমে আজ (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নাকার মঞ্চে কনসার্ট দেবেন। কনসার্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি অতীতকে ভুলে সামনের দিকে তাকিয়ে চলার কথা বলেছেন। জেমসের মতে, লাইভ মিউজিকই মানুষকে জীবিত রাখবে এবং এআই-নির্ভর সংগীত একসময় একঘেয়ে হয়ে যাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ সেপ্টেম্বর স্টকহোমের নাকার মঞ্চে আনাম জেমসের কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 জেমস বলেছেন, ‘অতীত নিয়ে ভাবতে চাই না, বর্তমান ও ভবিষ্যত নিয়ে বিশ্বাসী’
- 📌 ‘লাইভ মিউজিকই মানুষকে জীবিত রাখবে, এআই-নির্ভর সংগীত একসময় একঘেয়ে হয়ে যাবে’
- 📌 ‘সংগীত করতে হবে প্যাশন ও নেশা থেকে, কোনো কিছু অর্জনের জন্য নয়’
- 📌 প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার পৃষ্ঠপোষকদের ধন্যবাদ জানান জেমস
- 📌 ‘প্রবাসীদের আবেগ বেশি, তারা দেশের সংস্কৃতিকে মিস করেন’
📰 বিস্তারিত
ইতালির ভেনিসে স্টেজ শো শেষে সুইডেনের স্টকহোমে উপস্থিত আনাম জেমসের কনসার্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের সংগীতজীবন নিয়ে কথা বলেন। জেমস মঞ্চে দাঁড়ানোর পর শ্রোতাদের ভালোবাসা নিয়ে বলেন, ‘ভালোবাসা সবসময় ভালো লাগার একটা জিনিস। মঞ্চে দাঁড়ালে মনে হয়, সব আগেরই শ্রোতা। কিন্তু প্রজন্মের পরিবর্তন আমি খেয়াল করিনি। এখন মনে হয়, অনেকগুলো প্রজন্ম পার হয়ে গেছে।’
নিয়মিত কনসার্টের কারণে নতুন গান প্রকাশের সময় না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে জেমস বলেন, ‘মঞ্চে গান করতে করতে সময় খুব কম পাই। তবু চেষ্টা করছি নতুন গান আনা। অতীত নিয়ে পড়ে না থেকে বর্তমান ও ভবিষ্যত নিয়ে ভাবতে চাই। ফিরে যেতে চাই না, বর্তমান নিয়ে বিশ্বাসী।’
সংগীতকে কোনো কিছু অর্জনের মাধ্যম হিসেবে দেখেন না জেমস। তিনি বলেন, ‘কোনো কিছু পাওয়ার জন্য মিউজিক করলে আমার মনে হয় এখনই বন্ধ করে দেওয়া উচিত। সংগীত করতে হবে প্যাশন ও নেশা থেকে, কোনো কিছু অর্জনের জন্য নয়। নিজের জন্য সংগীতচর্চা চালিয়ে যাব। যদি এর মধ্যে কিছু আসে, সেটা ভিন্ন কথা। আমি যদি সংগীত থেকে কোনো কিছু না অর্জন করতাম, তবু সংগীতই করতাম।’
জেমস বলেন, ‘মিউজিক নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই। যত দিন সম্ভব গান করে যাব। শেষে যদি একটা দর্শক থাকে, তবু মিউজিকই করে যাব।’ বর্তমান সময়ের সংগীত ও এআই-এর প্রভাব নিয়ে তিনি বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের প্রশংসা করি। কিন্তু এত পারফেকশন মানুষকে একসময় বোরড করে দেবে। লাইভ মিউজিকই জীবনের মতো ডায়নামিক। এআই-নির্ভর সংগীত একসময় বোরড হয়ে যাবে, লাইভ মিউজিক আবার ফিরে আসবে।’
প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার পৃষ্ঠপোষকদের ধন্যবাদ জানিয়ে জেমস বলেন, ‘দেশের বাইরে অনুষ্ঠান হচ্ছে, পৃষ্ঠপোষকদের ধন্যবাদ। তারা বাংলা সংস্কৃতিকে বিদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। দ্বিতীয় প্রজন্মের বাচ্চারা বাংলা বুঝতে পারে না, কিন্তু তাদের সংস্কৃতিকে মিস করেন। প্রবাসীদের আবেগ বেশি, তারা দেশের সংস্কৃতিকে মিস করেন। এটা একটা বড় ব্যাপার।’
"ভালোবাসা তো সব সময় ভালো লাগার একটা জিনিস। যখনই মঞ্চে দাঁড়াই, তখন মনে হয়, সব আগেরই শ্রোতা। এর মধ্যে যে সময় বয়ে যাচ্ছে, চেঞ্জ হচ্ছে প্রজন্ম, এটা খেয়ালই করিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: স্টকহোম, সুইডেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনাম জেমস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!