📌 দীর্ঘ অসুস্থতার পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছেন অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। গুলশানের বাসায় তাঁকে দেখতে আসেন সুচন্দা, চম্পাসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের সহকর্মীরা। আবেগঘন আড্ডায় মুখরিত হয় তাঁর বাড়ি
গতকাল শনিবার রাতে গুলশানের নিজ বাসভবনে চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনয়শিল্পী সুচন্দা ও চম্পার সঙ্গে আবেগঘন মিলনে মেতেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। দীর্ঘ অসুস্থতার পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুলশান ১ নম্বর রোডের ১৩৬ নম্বর বাসায় সুচন্দা ও চম্পার সঙ্গে মিলিত হন ইলিয়াস কাঞ্চন।
- 📌 অসুস্থতার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।
- 📌 সুচন্দা ও চম্পার অনুরোধে গান ধরেন ইলিয়াস কাঞ্চন। শুরু করেন ‘আর যাব না আমেরিকা’।
- 📌 চম্পা জানান, ‘আমরা আপনাকে ভালোবাসি।’ উত্তরে কাঞ্চন বলেন, ‘আমিও ভালোবাসি সবাইকে।’
- 📌 চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন, যেমন সুব্রত, জ্যাকি আলমগীর, খোরশেদ আলম।
- 📌 দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে যুক্তরাজ্যে ১৫ মাস ছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন।
📰 বিস্তারিত
গুলশান ১ নম্বর রোডের ১৩৬ নম্বর বাসায় আগের মতো উচ্ছ্বাস না থাকলেও গতকাল শনিবার রাতে যেন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছিল ইলিয়াস কাঞ্চনের বাড়ি। দরজা পেরিয়ে বসার ঘরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ল চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনয়শিল্পী সুচন্দাকে। তাঁর পাশের সোফায় ছিলেন ছোট বোন চম্পা। দুজনেই ছিলেন দীর্ঘদিনের সহকর্মী ইলিয়াস কাঞ্চনের অপেক্ষায়। বসার ঘরের অন্য প্রান্তে আরও কয়েকজন অপেক্ষা করছিলেন। রাত তখন প্রায় আটটা। বাড়ির দরজা খুলে দিলেন ইলিয়াস কাঞ্চনের ছেলে জয়।
অসুস্থতার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তাঁকে দেখতে ছুটে এসেছেন চলচ্চিত্রের সহকর্মীরা। সুচন্দা ও চম্পার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শুধু সহকর্মীর নয়, আত্মীয়তার মতো। একসঙ্গে কাজ করেছেন, রয়েছে সিনেমার অসংখ্য স্মৃতি। সেই টানেই দেশে ফেরার খবর শুনে দুই বোন এসেছেন তাঁকে দেখতে। সঙ্গে এনেছেন উপহার।
ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা গেল পরিচালক গাজী মাহবুবকেও। তিনি এসেছিলেন তাঁর প্রিয় মানুষটির সঙ্গে দেখা করতে। তবে তখনো ঘুমে ছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। মাগরিবের নামাজ শেষে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। প্রায় রাত নয়টার দিকে ছেলে জয় তাঁকে শোবার ঘর থেকে বসার ঘরে নিয়ে এলেন। সামনে সুচন্দা ও চম্পাকে দেখেই যেন চমকে উঠলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। মুখে ফুটে উঠল হাসি। চোখেমুখে দেখা গেল আবেগও। দীর্ঘ অসুস্থতার ক্লান্তি ছাপিয়ে প্রিয় মানুষদের কাছে পাওয়ার আনন্দ যেন তাঁকে অন্য এক জগতে নিয়ে গেল।
শুরুতেই কাঞ্চনের হাতে তুলে দেওয়া হলো ফুলের তোড়া। কে এসেছেন, জানতে চাইলে হাসতে হাসতে সুচন্দা ও চম্পার দিকে তাকালেন তিনি। যেন নাম বলার প্রয়োজনই নেই—এই দুই মুখ তাঁর কাছে বহু পুরোনো, বহু পরিচিত। কথা বলতে বলতে একসময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন কাঞ্চন ও চম্পা। চম্পা বললেন, ‘আমরা আপনাকে ভালোবাসি।’ কাঞ্চনও বললেন, ‘আমিও ভালোবাসি সবাইকে। খুব ভালো লাগছে।’
চম্পা আবার জানতে চাইলেন, ‘কতটা ভালোবাসেন?’ কাঞ্চন তখন দুই হাত প্রসারিত করে বললেন, ‘এতটা ভালোবাসি।’ কথাটা শেষ হতেই ঘরে থাকা সবাই হেসে ওঠেন। দীর্ঘ চিকিৎসা, অসুস্থতা আর অনিশ্চয়তার দিনগুলো যেন কিছুক্ষণের জন্য দূরে সরে গেল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলশান, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইলিয়াস কাঞ্চন, সুচন্দা, চম্পা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৬ (বাসার নম্বর), ১৫ (মাস যুক্তরাজ্যে ছিলেন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!