📌 ১৯৮৫ সালের 'দেখা পেয়ার তুমহারা' ছবির শুটিংয়ে কমল হাসান ও রতি অগ্নিহোত্রী একে অপরের সঙ্গে কথা বলেননি — এমনকি 'হ্যালো'ও বলেননি। ৪০ বছর পর এই ঘটনার কারণ জানা যায় সিদ্ধার্থ কাননের অনুষ্ঠানে রণবীর পুষ্পের সাক্ষাৎকার থেকে
১৯৮৫ সালের ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র 'দেখা পেয়ার তুমহারা'-এর সেটে একটি অদ্ভুত ঘটনা ৪০ বছর পর উন্মোচিত হয়েছে। এই ছবিতে অভিনয়কারী দু’জন সুপরিচিত অভিনেতা-অভিনেত্রী কমল হাসান ও রতি অগ্নিহোত্রী শুটিংয়ের পুরো সময় একে অপরের সঙ্গে কথা বলেননি — এমনকি 'হ্যালো' বা 'হাই'ও বলেননি। দর্শকদের কাছে তারা প্রেমের জুটি হিসেবে পরিচিত হলেও, ক্যামেরার পেছনে তাদের সম্পর্ক ছিল সম্পূর্ণ অন্য রকম। এই ঘটনার কারণ জানা যায় সিদ্ধার্থ কাননের অনুষ্ঠানে রণবীর পুষ্পের সাক্ষাৎকার থেকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 'দেখা পেয়ার তুমহারা'-এর শুটিংয়ে কমল হাসান ও রতি অগ্নিহোত্রী ৪০ বছর ধরে একে অপরের সঙ্গে কথা বলেননি — এমনকি 'হ্যালো'ও বলেননি
- 📌 রণবীর পুষ্পের সাক্ষাৎকারে উন্মোচিত হয় যে, কমলের পছন্দ ছিল পুনম ধিলনকে নায়িকা হিসেবে নেওয়া, কিন্তু রণবীর রতিকে নির্বাচন করেন
- 📌 রতির বাবা সচিবের দায়িত্ব পালন করতেন, যার মাধ্যমে রণবীর রতিকে ছবিতে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন
- 📌 কমল ও রতির মধ্যে এই নীরবতা ছিল শুটিংয়ের পুরো সময় — ক্যামেরার সামনে তাদের অভিনয় ছিল পেশাদার, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে তারা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেননি
- 📌 ১৯৮১ সালের 'এক দুজে কে লিয়ে'-এর শুটিংয়ে কমল ও রতির মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধের কথাও পরে উঠে আসে
- 📌 রতির দাবি ছিল, 'এক দুজে কে লিয়ে'-এর শুটিংয়ে এক রাতে কমলের ঘরে অন্য এক নারী ছিলেন — এই দাবি নিয়ে পরে কমল জবাব দেন
- 📌 কমল ও রতির দুই পরিবারের মধ্যে পরবর্তীতে তাদের সন্তানদের সম্পর্ক ছিল, কিন্তু তা শেষ হয়
📰 বিস্তারিত
১৯৮৫ সালের 'দেখা পেয়ার তুমহারা' ছবির শুটিংয়ে কমল হাসান ও রতি অগ্নিহোত্রীর মধ্যে একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছিল। রণবীর পুষ্পের সাক্ষাৎকারে জানা যায়, এই ছবিতে কমল হাসানের বিপরীতে কাকে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে রণবীরের নিজস্ব পছন্দ ছিল। তিনি চেয়েছিলেন পুনম ধিলনকে নায়িকা হিসেবে নিতে। কিন্তু রণবীর পুষ্পের পছন্দ ছিল রতি অগ্নিহোত্রী। শেষ পর্যন্ত রণবীরের পছন্দই চূড়ান্ত হয়। রতির বাবা তখন মেয়ের ক্যারিয়ার পরিচালনার পাশাপাশি তাঁর সচিবের দায়িত্বও পালন করতেন। তাঁর মাধ্যমে রণবীর রতিকে ছবিতে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু কমল হাসান নিজের পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি — এই বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি তিনি।
শুটিংয়ের শুরুতে রণবীর পুষ্পের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, কমল ও রতি একে অপরের সঙ্গে কথা বলছেন না — এমনকি 'হ্যালো' বা 'হাই'ও বলেননি। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে কীভাবে ছবির কাজ শেষ হবে, সেই চিন্তা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো ঝামেলা ছাড়াই দুজন শুটিং চালিয়ে যান। শুটিংয়ের পুরো সময় কমল ও রতির মধ্যে সেই নীরবতা বজায় ছিল। দর্শকদের কাছে তারা প্রেমের জুটি হিসেবে পরিচিত হলেও, ক্যামেরার সামনে তাদের অভিনয় ছিল পেশাদার — কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে তারা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেননি।
এ ঘটনাটি আরও চমকপ্রদ হয়ে ওঠে 'এক দুজে কে লিয়ে'-এর পুরোনো অধ্যায় মনে করলে। ১৯৮১ সালের সেই ছবিতে কমল হাসান ও রতি অগ্নিহোত্রী ছিলেন আলোচিত জুটি। ছবিতে তাঁদের প্রেমের গল্প দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল। কিন্তু শুটিংয়ের সময় দুজনের সম্পর্ক নিয়ে নানা টানাপোড়েনের কথাও পরে সামনে আসে। কমল তখন দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার পাশাপাশি হিন্দি চলচ্চিত্রেও নিজের অবস্থান তৈরি করে ফেলেছিলেন। রতি ছিলেন ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে থাকা তরুণ অভিনেত্রী। ফলে দুজনের ব্যক্তিত্ব ও কাজের ধরন নিয়েও সেটে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১৯৮১ সালের সেই ছবির শুটিংয়ে রতির একটি দাবি ছিল, এক রাতে কমলের ঘরে অন্য এক নারী ছিলেন। এমনকি ভোর চারটার দিকে এক নারীকে কমলের ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে দেখেছিলেন বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। এই ঘটনাটি নিয়ে তখন নানা জল্পনা তৈরি হয়। পরে সিনেব্লিৎজ-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কমল জবাব দিয়েছিলেন, সে সময় স্ত্রী বাণী গণপতিকে বিয়ে করেছেন — অন্য কোনো নারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল না।
"দেখা পেয়ার তুমহারা'-এর শুটিংজুড়ে কমল ও রতি একে অপরের সঙ্গে কথা বলেননি। অথচ ক্যামেরার সামনে পেশাদার অভিনয়শিল্পী হিসেবে নিজেদের কাজ ঠিকই করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত (বলিউড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কমল হাসান, রতি অগ্নিহোত্রী, রণবীর পুষ্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!