📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এআই প্রযুক্তি বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাণে বিপ্লব সৃষ্টি করছে, খরচ কমে ৩০% এবং কর্মসংস্থান সংকটের সৃষ্টি

এআই প্রযুক্তি বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাণে বিপ্লব সৃষ্টি করছে, খরচ কমে ৩০% এবং কর্মসংস্থান সংকটের সৃষ্টি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এআই প্রযুক্তি বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাণে বিপ্লব সৃষ্টি করছে। বাজেট কমে ৩০% এবং শুটিং সময় বাঁচছে, কিন্তু ভিএফএক্সশিল্পীদের কর্মসংস্থান হ্রাসের সমস্যা উঠেছে। এআই-এর সম্ভাবনা ১০% ব্যবহৃত হলেও আগামী দশ বছরে পুরো শিল্প পরিবর্তন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাণ শিল্পে এআই প্রযুক্তির প্রবেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে চলচ্চিত্র নির্মাণের পদ্ধতিকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করছে। বাজেট সীমিত এবং শুটিং স্পট অ্যাক্সেসের সমস্যা সমাধান করে এআই চলচ্চিত্র নির্মাণের খরচ কমিয়ে ৩০ শতাংশ এবং মূল্যবান সময় বাঁচিয়ে দিচ্ছে। প্রযোজক আরফি লাম্বা মুম্বাইয়ের স্টুডিও থেকে ইতালির আল্পস পর্বতমালার দৃশ্যকে কানাডার তুষারাবৃত পাহাড়ে রূপান্তর করেছেন এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে। তিনি জানান, বুদাপেস্টের সেটকে পুরানো দিনের রূপ দেওয়ার জন্য সাধারণ ভিএফএক্স টিমের খরচ হতো ১৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার ইউরো, কিন্তু এআই দিয়ে মাত্র ১৫ হাজার ইউরোর মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাণে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারে খরচ কমে ৩০ শতাংশ এবং শুটিং সময় বাঁচছে
  • 📌 মুম্বাইয়ের স্টুডিও থেকে ইতালির আল্পস পর্বতমালার দৃশ্যকে কানাডার তুষারাবৃত পাহাড়ে রূপান্তর করা হয়েছে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে
  • 📌 ইরোস ইন্টারন্যাশনাল ও জিও স্টুডিওস এআই প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে এবং পুরোপুরি এআই-ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রক্রিয়া চালু করার পরিকল্পনা করছে
  • 📌 এআই দিয়ে চিত্রনাট্য থেকে ডাবিং, কালার গ্রেডিং ও সম্পাদনার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব
  • 📌 এআইয়ের সম্ভাব্য ক্ষমতার মাত্র ১০ শতাংশ বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে, বাকি ৯০ শতাংশ আগামী ৫ থেকে ১০ বছরে বিকাশ পাবে
  • 📌 ভিএফএক্সশিল্পী, চিত্রসম্পাদক ও সহকারী পরিচালকদের কর্মসংস্থান হ্রাসের কারণে শিল্পের সঙ্গে জড়িত কলাকুশলীরা চরম সংকটে পড়েছেন
  • 📌 চিত্রনাট্যকার ও নির্মাতারা মনে করেন, এআই মানুষের আবেগ ও মৌলিকতার জায়গা নিতে পারবে না

📰 বিস্তারিত

ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে ইরোস ইন্টারন্যাশনাল ও জিও স্টুডিওসের মতো প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে এআই প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিত্রনাট্যের ভুলত্রুটি ধরা থেকে শুরু করে ডাবিং, কালার গ্রেডিং ও সম্পাদনার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। হাইপারকগ টেকনোলজিসের প্রতিষ্ঠাতা রঞ্জিত কুমার বলেছেন, সিনেমায় এআইয়ের সম্ভাব্য ক্ষমতার মাত্র ১০ শতাংশ বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে বাকি ৯০ শতাংশ প্রযুক্তির বিকাশ ঘটবে, যা পুরো চলচ্চিত্র শিল্পকে পরিবর্তন করবে।

এআই প্রযুক্তির এই ব্যবহারের পেছনে একটি বড় সমস্যা হলো কর্মসংস্থান হ্রাস। ভিএফএক্সশিল্পী, চিত্রসম্পাদক ও সহকারী পরিচালকদের কাজ এআই কেড়ে নিচ্ছে, ফলে শিল্পের সঙ্গে জড়িত কলাকুশলীরা চরম সংকটে পড়েছেন। অনেকেই কাজ হারিয়ে ভিন্ন পেশায় যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

চিত্রনাট্যকার ও নির্মাতারা মনে করেন, এআই দিয়ে একটি সাধারণ বা ভালো চিত্রনাট্য তৈরি করা সম্ভব হলেও মানুষের তৈরি অনবদ্য ও কালজয়ী গল্প উপহার দেওয়া এআইয়ের পক্ষে অসম্ভব। তারা আরও বলেছেন, কেবল এআই চরিত্র দিয়ে তৈরি ছবিগুলো মানবিক অনুভূতি ও বৈচিত্র্যের অভাবে দ্রুতই দর্শকের কাছে একঘেয়ে হয়ে পড়ে।

"এআই দিয়ে একটি সাধারণ বা ভালো চিত্রনাট্য তৈরি করা সম্ভব হলেও মানুষের তৈরি অনবদ্য ও কালজয়ী গল্প উপহার দেওয়া এআইয়ের পক্ষে অসম্ভব"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মুম্বাই, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরফি লাম্বা, রঞ্জিত কুমার, সুধাকর একলব্য
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ শতাংশ (খরচ কমে), ১৫ হাজার ইউরো (এআই খরচ), ১০ শতাংশ (বর্তমান এআই ক্ষমতা), ৯০ শতাংশ (আগামী বিকাশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖