📌 রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার দুই বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় একজনও পাস করতে পারেনি। শিক্ষক সংকট, পাঠদানের মান ও শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতড়া ইউনিয়নের কুমারপুর উচ্চবিদ্যালয় এবং ঘাষিপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় একজনও পাস করতে পারেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষক সংকট ও পাঠদানের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমারপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৮ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করেনি, যেখানে শিক্ষক রয়েছেন ৯ জন
- 📌 ঘাষিপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করেননি, যেখানে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ৪ জন
- 📌 ২০২৫ সালে কুমারপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে ৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৯ জন পাস করেছিল
- 📌 ঘাষিপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে ২০২৫ সালে ২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন পাস করেছিল
- 📌 তারাগঞ্জ উপজেলার বটতলী নমিরুল দাখিল মাদ্রাসায় ৫ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করেনি
📰 বিস্তারিত
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতড়া ইউনিয়নের কুমারপুর উচ্চবিদ্যালয় এবং ঘাষিপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় একজনও পাস করতে পারেনি। স্থানীয় যুবক মানিক মিয়া প্রশ্ন তুলেছেন, ‘৯ জন শিক্ষক থাকার পরও ১৮ জন পরীক্ষার্থীর একজনও পাস না করার কারণ কী?’ তাঁর মতে, বিদ্যালয় দুটির শিক্ষক উপস্থিতি ও পাঠদানের মান নিয়ে তদন্ত প্রয়োজন।
কুমারপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কহিনুর বেগম বলেন, ‘এবারে শিক্ষার্থীরা একটু দুর্বল ছিল। আগামীতে আমরা ভালো করব।’ তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়টি নতুন এমপিওভুক্ত হওয়ায় শিক্ষক সংকট রয়েছে। ঘাষিপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘আমার নতুন এমপিওভুক্ত স্কুল, মাত্র চারজন শিক্ষক। এটা একটা বড় সমস্যা।’
তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বটতলী নমিরুল দাখিল মাদ্রাসায় ৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েও কেউ পাস করেনি। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ ও পাঠদানের মান নিশ্চিত করতে হবে।
‘৯ জন শিক্ষক থাকার পরও ১৮ জন পরীক্ষার্থীর একজনও পাস না করার কারণ কী? শিক্ষার্থীদের পাঠদানে কোথাও ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।’ — মানিক মিয়া, স্থানীয় যুবক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কহিনুর বেগম (কুমারপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক), মোস্তাফিজার রহমান (ঘাষিপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জন শিক্ষক, ১৮ জন পরীক্ষার্থী, ১৫ জন পরীক্ষার্থী, ৫৪ জন পরীক্ষার্থী, ২৯ জন উত্তীর্ণ, ২০ জন পরীক্ষার্থী, ১১ জন উত্তীর্ণ, ৫ জন পরীক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!